অতীতে ফ্যাসিবাদের সময় লাঞ্ছনা, বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার হতে হয়েছে অভিযোগ করে পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বিএনপি যেন আর কখনও অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে কাজ করা হচ্ছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে লক্ষ্মীপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যানারে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ি ঢল থেকে যখন পানি নামে তখন পানির স্রোত এত বেশি হয়, এ কারণে দেশের মানুষের মরণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার যখন খরা থাকে, পানি যখন পায় না বা থাকে না। এ দুটাকে সমন্বয় করে প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে থাকতে হচ্ছে।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুনভাবে চিন্তা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত ও শপথ গ্রহণের পর প্রথমদিন থেকে খুব দায়িত্ব নিয়ে জনগণের পাশে থাকা, জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতি, জনগণের অঙ্গীকার রক্ষা করে প্রতিদিন একটা না একটা কাজ জনগণকে পৌঁছে দিচ্ছেন এবং জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সময়টাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের দ্বারপ্রান্তে কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে যা যা করার জন্য সে কাজগুলোই তিনি প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। যা আমরা নির্বাচনের সময় বলেছি, এখনও বলছি।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমাদের অনেক ত্যাগ শিকার করতে হয়েছে। নির্বাচন ভোগ করে ফ্যাসিবাদের বিদায়ের পর জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান নেত্বতে। জনগণের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ। বিএনপি যা বলে তাই করে।
জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হেমায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান ও বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।
