জ্বালানির মূল্য বাড়লে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৭ এএম

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম. তামিম মনে করেন, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেলে দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। সরকার দীর্ঘদিন ভর্তুকি দিয়ে এই খাত পরিচালনা করতে পারবে না। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘ হলে জ্বালানির দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প থাকবে না। গতকাল শনিবার এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

অধ্যাপক তামীম বলেন, আমাদের দেশে অতীত থেকেই জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা যথাযথভাবে গুরুত্ব পায়নি এবং ব্যক্তিগত বা দলগত স্বার্থের কারণে আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে কোনো বিঘœ দেখা দিলে আমরা আমদানিকারক দেশ হিসেবে সংকটে পড়তে থাকি। যখন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ঘটেনি তার আগে আমাদের জ্বালানির মজুদ ছিল মাত্র ২ দিনের। কিন্তু তখন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু বর্তমানে ৭ থেকে ১৫ দিনের মজুদ থাকলেও মানুষ প্যানিক পেয়েছে এবং চাহিদার চেয়ে বেশি পেট্রোল ও অকটেন কিনছে। হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, পূর্বের ভুল নীতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। জ্বালানিতে স্বনির্ভরতা অর্জনে নেতৃত্বের ত্রুটি ছিল, যার প্রভাব বর্তমানে সাধারণ জনগণ অনুভব করছে।

 ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘ছায়া সংসদে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা জোরদারের মাধ্যমেই জ্বালানি সংকট মোকাবেলা সম্ভব’ শীর্ষক বিতর্কে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের দল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন ড. এসএম মোর্শেদ, রিজভী নেওয়াজ, রিশান নসরুল্লাহ, আতিকুর রহমান ও জাফর ইকবাল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত