কারখানার নেই কোনো অনুমোদন। লেবেল বোতলের গায়ে লাগানো হচ্ছে, তাতে আবার বিএসটিআইয়ের লোগো ও বিডিএস নাম্বার যুক্ত করা হয়েছে। এভাবে খোলা সয়াবিন তেল ড্রাম থেকে বোতলে ভরে বেশি দামে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বাতাকান্দি বাজারের মেসার্স একে আজাদ ট্রেডার্স এর বিরুদ্ধে।
বাজারের লোকজন জানত কারখানাটি সয়াবিন তেলের। কিন্তু ভেতরে কী হয় সেটি জানত না কেউ। বোতলের গায়ে মেসার্স একে আজাদ ট্রেডার্স লেখা থাকলেও কারখানায় নেই কোনো সাইনবোর্ড বা বিলবোর্ড। রাতে পিকআপে করে কারখানায় তেলভর্তি ড্রামের গাড়ি আসে। পরে সেগুলো বোতলজাত করে বাজারে বেশি দামে বিক্রি করেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ শোনার পর স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে সেই বুধবার কারখানায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাইরে থেকে সাটার বন্ধ। কারখানায় নেই কোনো শব্দ, কোলাহল।
কারখানার মালিক প্রথমে তার পরিচয় গোপন করেন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর জানতে চাওয়া হয় কারখানাটির অনুমোদন আছে কি না।
বিএসটিআইয়ের অনুমোদন আছে কি না। মালিক একে আজাদ স্বীকার করেন বিএসটিআইয়ের অনুমোদন এখনও তিনি পাননি। তবে সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছেন, গতকাল (মঙ্গলবার) বিএসটিআই এর একজন এসে দেখে গেছেন। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই অনুমোদন পাবো।
একে আজাদ বলেন, দেড় মাস আগে প্রতিষ্ঠানটি পরীক্ষামূলক চালু করা হয়েছে, এখনও সব প্রক্রিয়াধীন। অনুমোদন না পেয়ে চালু করা বেআইনি কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার এই প্রতিষ্টানটি মার্কেটে জানান দেয়ার জন্য কিছু সেম্পল বাজারজাত করেছি। আজ থেকে বন্ধ করে দিব।
এ বিষয়ে তিতাস উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া বলেন, যদি সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনো কারখানা চলে, তবে সেটি অবৈধ। আমরা খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
বিএসটিআইয়ের কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক পরিতোষ চন্দ্র তালুকদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, বারিধারা সয়াবিন তেল বোতলজাত করে বিক্রির লাইসেন্সের জন্য অনুমোদন কোন অনুমোদন নাই। অনুমোদনের জন্য কমপ্লিট কাগজপত্র জমা হয়নি। নমুনা পরীক্ষাও হয়নি। যদি প্রোডাকশন করে থাকে তা বন্ধের জন্য নোটিশ পাঠাবো। বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চূড়ান্ত পরাজয়’ হয়েছে: রাশিয়া