আইইউবিতে সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৭ এএম

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ আয়োজিত দুই দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘দ্য নেশন অ্যান্ড ইটস ইমাজিনেশনস : কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ’ শেষ হলো গত শুক্রবার। সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা অংশ নেন। এ ছাড়া গণমাধ্যম, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প কীভাবে সমকালীন জাতীয় পরিচয়, চিন্তা ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে, এ নিয়ে আলোচনা হয়।

গত বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড এবং স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. বখতিয়ার আহমেদ। প্রথম দিনের কীনোট বক্তব্য উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডেলেইডের কলেজ অব ক্রিয়েটিভ আর্টস, ডিজাইন অ্যান্ড হিউম্যানিটিজের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ক্রেইগ ব্যাটি। তিনি সৃজনশীল চর্চা ও গবেষণায় নতুন ভাবনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে কীনোট উপস্থাপন করেন অধ্যাপক লুন্ড। তিনি গণমাধ্যম, দর্শক-অনুভূতি ও কগনিটিভ ডিসোন্যান্সের নিয়ে আলোচনা করেন।

দুই দিনে চারটি সমান্তরাল সেশনে মোট ৩৬টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এসব প্রবন্ধে ডিজিটাল অর্থনীতি, প্ল্যাটফরম শ্রম, গণমাধ্যমের বিশ্বায়ন, সংস্কৃতি উৎপাদন, জেন্ডার ও উপস্থাপন, সামাজিক মাধ্যমে তরুণদের পরিচয়, লোকসংস্কৃতি, চলচ্চিত্র ও ভিজ্যুয়াল মিডিয়া, নগর উপসংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রতীক, ইত্যাদি বিষয় উঠে আসে। সম্মেলনে তিনটি প্যানেল আলোচনা হয়, যেখানে প্রযুক্তির প্রভাব, সৃজনশীল খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতা এবং দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

দ্বিতীয় দিনে ‘ক্রিয়েটিভ প্র্যাকটিস রিসার্চ : প্র্যাকটিকাল ওয়ার্কশপ অব ইমাজিনেশন ইন অ্যাকশন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি প্রদর্শিত হয় চলচ্চিত্র দেলুপি (২০২৫)। প্রথম দিন সন্ধ্যায় আয়োজিত নৈশভোজে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ কালচারাল অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ রিসার্চ গ্রুপ। বাংলাদেশে সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে গবেষণায় নিবেদিত প্রথম সংগঠিত প্ল্যাটফরম এটি।

সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-গবেষকেরা অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত