গাজামুখী ত্রাণবাহী নৌযানের বহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে তিন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)। ত্রাণবাহী ফ্লোটিলার আয়োজকরা বলছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি উপকূলরেখা থেকে কয়েকশ মাইল দূরে গ্রিসের পেলোপনিস উপদ্বীপের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে তাদের বহরের ৫৮টি নৌযানের মধ্যে ২২টিকে আটকায়।
এসব নৌযানে থাকা ২১১ জনকেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। ইসরায়েল বলছে, তারা এ আটকদেরকে গ্রিসে পাঠিয়ে দিচ্ছে। গত বুধবার (২৯এপ্রিল) রাতে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ওই বহরের নৌকাগুলোকে থামায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং সেখান থেকে দুই শতাধিক মানবাধিকারকর্মীকে আটক করে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আরএসএফ সংগঠনটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলি সেনাদের হাতে আল জাজিরার এক সাংবাদিক ও ক্যামেরাম্যান এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম জিটিও-র সংবাদিক অ্যালেক্স কলস্টনের অপহৃত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।
আল জাজিরাও তাদের সাংবাদিকদের ‘নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে। ইসরায়েল যে ধারাবাহিকভাবে আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি ভেঙে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতেও আহ্বান জানায় তারা।
বিবৃতিতে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় থাকা দলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তাদের। এতে আরও বলা হয়েছে, আল জাজিরা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে এবং সব সাংবাদিকের সুরক্ষা এবং তাদের বিনা বাধায় স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
