৫০ বছরের জন্য প্রণীত কওমি সিলেবাস দেড়শ বছরেও পরিবর্তন হয়নি

আপডেট : ০৭ মে ২০২৬, ০৬:১১ পিএম

কওমি মাদ্রাসার সিলেবাস সংস্কারসহ সমসাময়িক বিষয়ে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন কেরানীগঞ্জের জামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়ার অধ্যক্ষ মুফতি রেজাউল হক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বেলায়েত হুসাইন 

দেশ রূপান্তর : আপনার মতে কওমি তরুণদের জন্য বিকল্প ও বহুমুখী ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে কী ধরনের দক্ষতা বা প্রশিক্ষণ যুক্ত করা প্রয়োজন? কওমি সিলেবাস কি আরও আধুনিক ও কর্মমুখী করার সুযোগ আছে?

মুফতি রেজাউল হক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ : আমরা মনে করি, দেশের সব শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামের সার্বজনীন ও সমন্বিত শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি নির্ধারণ করা উচিত। যাতে ধর্ম ও জাগতিক উভয় বিষয় অন্তভুক্ত থাকবে। কারণ, মানবজীবন দুটি পর্বে বিভক্ত। ইহকাল ও পরকাল। শিক্ষানীতি, শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষার বিষয়বস্তু নির্বাচনে এর স্পষ্ট প্রতিফলন আবশ্যক। অন্যথায় তা হবে অপূর্ণাঙ্গ ও খণ্ডিত। এ ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা জীবনোপযোগী হতে পারে না। কেননা, শিক্ষা ও মানবজীবন অতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এ দুটি বিষয়কে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই।

আর ব্রিটিশ অধিকৃত অঞ্চলে দ্বীন রক্ষায় দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার পর কাসিম নানুতুবি (রহ.) যেই শিক্ষা সিলেবাস সর্বোচ্চ ৫০ বছরের জন্য প্রণয়ন করেছিলেন, তা স্বাধীনতার পরও প্রায় দেড়শ বছর অপরিবর্তিত রয়েছে। ভারত-পাকিস্তানে এর বেশকিছু পরিবর্তন হলেও আমাদের বাংলাদেশে তা অপরিবর্তিত রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ ওহির মতো। আকাবিরদের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি সংস্কার, সংশোধন ও পরিবর্তনের জন্য বারবার উদাত্ত আহ্বান ও দিকনির্দেশনা থাকলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি বাস্তবিক পক্ষে যুগের চাহিদা পূরণে উপযুক্ত ব্যবস্থাপত্র, আর বস্তুজগৎ ও সমাজ জীবন প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। তাই যুগ চাহিদার আলোকে শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি পরিবর্তন করতে হয়।

পুরো সাক্ষাৎকার পড়তে এখানে ক্লিক করুন

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত