লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসি’র

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কর-পরবর্তী মুনাফা ১১২ কোটি টাকা

আপডেট : ১২ মে ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম

 উচ্চ মুদ্রাষ্ফীতি ও চ্যালেঞ্জিং সমষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কোম্পনির নীট বিক্রি ৬% কমেছে

মধ্যপ্রাচ্য সংকট, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি খরচ এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে কর-পরবর্তী মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯% কমে ১১২ কোটি টাকা হয়েছে।

নানবিধ বাহ্যিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পরিচালন দক্ষতা ও কঠোর ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সিমেন্ট শিল্পে সেরা মুনাফার হার ধরে রেখেছে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ।   

কোম্পানির প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা ইকবাল চৌধুরীর বক্তব্যঃ

অব্যাহত মুদ্রাস্ফীতি এবং উচ্চ জ্বালানি খরচের কারণে তৈরি হওয়া কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা উদ্ভাবন ও পরিচালনগত উৎকর্ষতার মাধ্যমে টেকসই অবস্থান ধরে রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতাগুলো আমাদের মুনাফার মার্জিনের উপর চাপ তৈরি করছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও আমাদের বিশেষায়িত পণ্য - ‘হোলসিম ওয়াটার প্রোটেক্ট’ ও ‘সুপারক্রিট প্লাস’ তাদের শক্তিশালী পারফরমেন্স অব্যাহত রেখেছে, যা বাজারে আমাদের অবস্থান ও ভোক্তাদের বিশ্বাসকে আরো সুদৃঢ় করেছে।

আমরা বছরের শুরুতেই কোম্পানির পণ্যে বৈচিত্র আনতে ‘হোলসিম কোস্টাল গার্ড’ এবং ‘পাওয়ারক্রিট’ নামে দুটি বিশেষায়িত পণ্য বাজারে এনেছি, যেগুলো যথাক্রমে উপকূলীয় অঞ্চল এবং রেডিমিক্সের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত। সামনের প্রান্তিকগুলোতে এই পণ্যগুলো কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশাবাদী। এর পাশাপাশি জিওসাইকেল এর মাধ্যমে আমাদের টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো উল্লেখযোগ্য ফলাফল বয়ে এনেছে। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে জিওসাইকেল এর মাধ্যমে আমরা প্রায় ১২,০০০ টন বর্জ্য টেকসই উপায়ে কো-প্রসেস করেছি, যার মাধ্যমে প্রায় ১৩% জীবাশ্ম জ¦ালানীর ব্যবহার হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। বাজারের বর্তমান অস্থিরতা মোকাবেলায় আমরা সক্রিয়ভাবে কঠোর ব্যয় সংকোচন নীতি এবং কৌশলগত মূল্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব প্রদান করছি। উদ্ভাবনের প্রতি আমাদের অব্যহত প্রতিশ্রুতি এবং পরিচালন দক্ষতার ভারসাম্য বজায় রেখে আমরা সামগ্রিক ব্যবসায়িক পারফরমেন্স উন্নতি সাধনের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত