সরকারি চাল আত্মসাৎ মামলায় সাবেক গুদাম কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট : ১৪ মে ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ খাদ্য গুদামের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৯০ টন সরকারি চাল আত্মসাতের মামলায় ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আত্মসাৎ করা চালের বাজারমূল্যের সমপরিমাণ ৮৫ লাখ ২৫ হাজার ৪৩৭ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাকে। 

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই কর্মকর্তার নাম পলাশ পাল চৌধুরী। তবে মামলার অভিযোগ গঠনের পর থেকেই পলাশ পাল চৌধুরী পলাতক রয়েছেন। রায়ে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন।  

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৫ থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ খাদ্য গুদামে সরকারি চাল আত্মসাতের এ ঘটনা ঘটে। গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে পলাশ পাল চৌধুরী ১৯০ দশমিক ৪৪২ টন সরকারি চাল অবৈধভাবে সরিয়ে আত্মসাৎ করেন।

দুদকের তদন্তে উঠে আসে, আত্মসাৎ করা চালের প্রতি টনের বাজারমূল্য ছিল ৪৪ হাজার ৭৬৬ টাকা ৫৭ পয়সা। সে হিসেবে সরকারের মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৫ লাখ ২৫ হাজার ৪৩৭ টাকা। ঘটনার পর ২০২০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় পলাশ পাল চৌধুরী ছাড়াও খাদ্যগুদামের খন্ডকালীন পরিচ্ছন্নতাকর্মী শাহজাহান ওরফে মিন্টু, নিরাপত্তা প্রহরী নিজাম উদ্দিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের স্প্রেম্যান মো. শাহজাহান, মেসার্স হিমায়ন সি-ফুডসের মালিক দিলরুবা হাসান এবং মেসার্স মোহনা এন্টারপ্রাইজের মালিক সেলিম রেজাকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২ আগস্ট কক্সবাজারের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্তে অন্য পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত