চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে ) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঝন্টু বিকাশ চাকমা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নে আবুল কাসেমের ছেলে মো. মফিজুর রহমানের সঙ্গে দোহাজারী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড হাছনদন্ডী এলাকায় মোহাম্মদ ইসহাকের কন্যা নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসকিয়া জান্নাত রুহির বিয়ের আয়োজন করা হয়।
চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান বাল্যবিয়ের সংবাদ পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমাকে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে দুপুর দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৫ (১) ধারায় মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এ নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করলে মেয়ে ও ছেলের পিতা-মাতাসহ বিবাহের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দেওয়া হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঝন্টু বিকাশ চাকমা বলেন, ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশনায় বাল্য বিয়ে বন্ধ করা হয়। বাল্যবিবাহ এক ধরনের অভিশাপ। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। এ ধরনের সামাজিক অপরাধে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা চৈতী বড়ুয়া, দোহাজারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ, উপজেলা ভূমি অফিস ও দোহাজারী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
হাম ও হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু