পবিত্র হজকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি জোরদার করেছে সৌদি আরব। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে প্রায় ২০ লাখ মুসল্লির সমাগম হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
হজযাত্রীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং অনুমতিহীন প্রবেশ ঠেকাতে আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি সৌদির হজ ও ওমরাহমন্ত্রী তওফিক আল-রাবিয়াহ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে বলেন, এবার হজ মৌসুমে হজযাত্রীর সংখ্যা প্রায় ২০ লাখে পৌঁছাতে পারে।
সৌদি আরবের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১২ সালে ৩০ লাখের বেশি মানুষ হজ পালন করেন, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যার অন্যতম। তবে করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা সীমিত করে মাত্র ১০ হাজারে নামিয়ে আনা হয়।
২০২১ সালে কেবল সৌদি নাগরিক ও দেশটিতে অবস্থানরত বাসিন্দাদের মধ্য থেকে ৫৮ হাজার ৭৪৫ জনকে হজের অনুমতি দেওয়া হয়। পরের বছর বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে প্রায় ১০ লাখ মানুষ হজ পালন করেন।
২০২৩ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা আবারও মহামারিপূর্ব অবস্থার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। ওই বছর ১৮ লাখের বেশি মানুষ হজ আদায় করেন। ২০২৪ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৪ জন। আর ২০২৫ সালে তা দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জনে।
ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম হজ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা ফরজ।
এবার খরচ বেশি, তাই গরুর দামও বেশি