নবম পে-স্কেল : চরম উৎকণ্ঠায় সরকারি চাকরিজীবীরা

আপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম

নতুন পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন এবং এর বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল বাস্তবায়িত হওয়ার পর এক যুগ পূর্ণ হতে চললেও মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি এখনও ঝুলে আছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় ধরে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। পূর্বে ন্যূনতম বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করার সুপারিশসহ পে-কমিশনের নানা রূপরেখার খবর গণমাধ্যমে আসলেও, চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন না হওয়ায় চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র হতাশা কাজ করছে।

সরকারের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা করে সম্পূর্ণ পে-স্কেল একবারে বাস্তবায়িত না হয়ে ধাপে ধাপে কার্যকর করার কথা ভাবা হচ্ছে।

বেশ কিছু কর্মচারী সংগঠন আংশিক বা ধাপে ধাপে নয়, বরং একবারে সম্পূর্ণ নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে অনড় রয়েছেন।

দীর্ঘদিন পর বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও চাকরিজীবীদের বিভিন্ন সংগঠন এবং সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে কিছু বিষয়ে অসন্তোষ রয়ে গেছে। কর্মচারীদের একাংশ ধাপে ধাপে না করে এক ধাপে শতভাগ নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে আংশিক বেতন বৃদ্ধি জীবনযাত্রার চাপ কমাতে যথেষ্ট নয়। ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার নির্দেশনা থাকলেও জুনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত