দীঘির নিচে নাকি আরেকটা গ্রাম আছে।
সেখানে সব ঘরে জল ঢুকে থাকে কোমর পর্যন্ত।
মেয়েরা নৌকা বেয়ে স্কুলে যায়।
এক ছেলের হাতে ছিল
পুঁতির মালা আর একটি ভাঙা বৈঠা।
সে আমাকে বলল—
‘উপরে যারা থাকে,
তারা কি এখনো আকাশ দেখে?’
আমি উত্তর দিইনি।
কারণ তখন
দীঘির জল থেকে
একটি লণ্ঠন ভেসে উঠছিল ধীরে।