ইসরায়েলি বাহিনী রবিবার বৈরুতে হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামানোর আলোচনাকে জটিল করে তুলতে পারে৷ নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে তিনটি গোলা ছোড়ার জবাবে এই হামলা৷ বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরে একটি পাঁচতলা ভবনের নিচের দুটি তলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷
এই উত্তেজনার মধ্যেই তেহরানে পৌঁছেছে কাতারের একটি মধ্যস্থতাকারী দল, চুক্তি চূড়ান্ত করার চেষ্টায়৷ দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এমন একটি চুক্তির কাছাকাছি, যা সংঘাত থামাতে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে পারে৷ ট্রাম্প ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, রোববারই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে, ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে৷
তবে চুক্তিতে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বা হিমায়িত সম্পদের মতো জটিল বিষয়গুলোর সমাধান নেই৷ বরং এসব নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি কাঠামো রাখা হয়েছে৷ আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ৪৪১ কিলোগ্রাম ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা অস্ত্র-মানের কাছাকাছি৷ ট্রাম্প জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র এই ইউরেনিয়াম নিষ্ক্রিয় করতে উদ্যোগ নেবে৷
ইসরায়েল এই চুক্তিকে নিজেদের জন্য হতাশাজনক বলছে, কারণ এতে ইরানের মিসাইল ও পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংসের লক্ষ্য অর্জিত হয়নি৷