নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চলনবিল অঞ্চলের আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজাল ও বাঁশের স্থাপনা অপসারণে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একটি অবৈধ সৌতিজাল ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো অপসারণের পাশাপাশি জব্দ করা জাল ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে উপজেলার সাবগাড়ি ও হরদমা এলাকার আত্রাই নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে সৌতিজাল ও বাঁশের খুঁটির স্থাপনা নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নৌচলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে এসব জালের মাধ্যমে মা মাছ ও পোনা মাছ নির্বিচারে শিকার করা হচ্ছিল, যা নদীর জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আত্রাই নদীতে অবৈধভাবে সৌতিজাল বসিয়ে মাছ শিকারের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে একটি অবৈধ সৌতিজাল ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা অপসারণ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন গুরুদাসপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুল ইসলাম।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র সাহা বলেন, এ অভিযানের মাধ্যমে মা মাছ ও পোনা মাছ সংরক্ষণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে গুরুদাসপুর থানা পুলিশের একটি দল এবং উপজেলা মৎস্য ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা সহযোগিতা করেন।
গোবিন্দগঞ্জে মরা করতোয়ায় ১১২২ কোটি টাকার প্রকল্প