যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক সমঝোতা চুক্তির প্রভাবের মধ্যেই মঙ্গলবার (২৩ জুন) ওয়াশিংটনে নতুন দফা সরাসরি আলোচনায় বসছে লেবানন ও ইসরায়েল। তবে বৈরুতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ তেহরান লেবাননকে নিজেদের আলোচনার অংশ করায় দেশটির কূটনৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।
লেবানন সরকার বলছে, যুদ্ধ বন্ধ ও স্থায়ী সমাধানের জন্য ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা ছাড়া বিকল্প নেই। তবে এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া চার দফা আলোচনায় কোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জিত হয়নি। বরং সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পরই সীমান্তে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য সংঘাত কমেছে।
তিন দিনব্যাপী এই বৈঠকে লেবানন দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি দাবি করবে। অন্যদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং লেবাননের সঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি অর্জন।
এদিকে হিজবুল্লাহ সরাসরি আলোচনার বিরোধিতা করে বলেছে, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব। বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক শান্তি ফিরলেও দুই পক্ষের অবস্থানে মৌলিক কোনো পরিবর্তন না আসায় আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত।