গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যার ঘটনায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় করা একটি মামলায় হাইকোর্টে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। তার করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ রুল সহ জামিনের এ আদেশ দেয়।
এর আগে হত্যা, রায় জালিয়াতি ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ৭টি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান খায়রুল হক। গতকাল যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে সাংবাদিকদের জানান খায়রুল হকের অন্যতম আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। খায়রুল হকের পক্ষে তিনিসহ আরো শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সাঈদ আহমেদ রাজা।
গত বছরের ২৪ জুলাই গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রায় এক বছর ধরে কারাগারে আছেন খায়রুল হক।
পৃথক সাত মামলায় উচ্চ আদালতে জামিনের পর গত ২৩ মে যাত্রাবাড়ী থানার ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত অভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট খোবাইব নামের একজনকে হত্যার অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানায় এ মামলাটি করেন নিহতের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ।
এতে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় অধস্তন আদালতে গত ২১ জুন জামিন নামঞ্জুর হওয়ার হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন খায়রুল হক।
বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা–সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়।