কর্ণফুলী নদীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ

ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই নাবিকের মৃত্যু, একজন আশংকাজনক 

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

নগরের সদরঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে মাছ ধরার একটি নৌযানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ দুই নাবিক মারা গেছেন। নিহত দুই নাবিক হলেন ওই নৌযানের গ্রিজার (ইঞ্জিন বিভাগের কারিগরি কর্মী) মো. রুবেল (৩২) ও শাহ আলম (৪০)। রুবেলের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপায়। সেখানে সকাল ১০টায় তার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শাহ আলমের বাড়ি নোয়াখালীতে। আজ বুধবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন)  সন্ধ্যায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শতভাগ দগ্ধ হওয়া আরেক প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিমের অবস্থাও সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান। 

দুই নাবিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জাহাজের ক্যাপ্টেন জুবায়ের মাহমুদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ঢাকায় নেওয়া দগ্ধ তিন নাবিকের মধ্যে দুজন মারা গেছেন। 

গতকাল বেলা পৌনে ১টার দিকে কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করা এফভি দেশ নামের মাছ ধরার নৌযানে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এতে এফভি দেশ নৌযানের ক্যাডেট প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিম, নাবিক মো. রুবেল, শাহ আলম এবং পাশে নোঙর করা এফভি ডিজনির নাবিক নিজাম উদ্দিন, মো. রাসেল ও ছিদ্দিক আহমেদ দগ্ধ হন।

এ ঘটনার পর নৌযানটির আহত ছয় নাবিককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে শতভাগ দগ্ধ প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান, নাবিক রুবেল ও শাহ আলমকে ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে পথে মারা যান রুবেল ও শাহ আলম। বাকি দগ্ধ তিন নাবিক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় আজ বুধবার সকালে তাদেরকে চমেক  হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত