সুখবর নেই জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৭ এএম

এক সময় বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসে জাতীয় জুনিয়র প্রতিযোগিতা ছিল ভবিষ্যতের তারকা তৈরির সবচেয়ে বড় মঞ্চ। এই প্রতিযোগিতা থেকেই উঠে আসতেন দেশের দ্রুততম দৌড়বিদরা, যারা নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে জাতীয় রেকর্ডের দুয়ারে কড়া নাড়তেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ধারাবাহিকতা যেন হারিয়ে গেছে। শুক্রবার জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া এবারের জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকসের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের ফলাফলই তার বড় প্রমাণ।

বালকদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে বিকেএসপির জাহিদুল ইসলাম ১১.০৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেন। একই সময়ে ১১.০৩ সেকেন্ড দৌড়ে কিশোর বিভাগে স্বর্ণ জিতেছেন বিকেএসপির রিফাত শেখ। অন্যদিকে বালিকাদের বিভাগে বিকেএসপির রাফিয়া খাতুন ১৩.০৬ সেকেন্ড এবং কিশোরীদের বিভাগে আনসারের সাবিনা আক্তার রুবি ১২.৪০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হয়েছেন।

কাগজে-কলমে এটি স্বর্ণজয়ী পারফরম্যান্স হলেও বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে। কারণ বর্তমানের এই টাইমিংগুলো দেশের জুনিয়র পর্যায়ের পুরনো রেকর্ডের ধারেকাছেও  নেই। ২০১৬ সালে বালক বিভাগে বিকেএসপির হাসান মিয়া ১০.৬০ সেকেন্ড সময় নিয়ে জাতীয় রেকর্ড গড়েছিলেন। বালিকা বিভাগে ২০১৯ সালে সুমাইয়া দেওয়ান ১২.২২ সেকেন্ডে নতুন রেকর্ড করেছিলেন। কিশোর বিভাগে ২০১৫ সালে সাইফুল ইসলাম খান ১০.৫৩ সেকেন্ডে এবং কিশোরী বিভাগে আজমি খাতুন ১২.৪০ সেকেন্ডে রেকর্ড গড়েছিলেন।

অর্থাৎ প্রায় এক দশক পর এসে বালক ও কিশোর বিভাগে স্বর্ণজয়ীদের সময় আগের  রেকর্ডের চেয়ে প্রায় অর্ধ সেকেন্ড ধীর। স্প্রিন্টে যেখানে এক সেকেন্ডের শতভাগের এক ভাগও বড় ব্যবধান তৈরি করে, সেখানে এমন পার্থক্য বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসের জন্য উদ্বেগের বার্তা। এই চিত্র স্পষ্ট করে যে দেশের অ্যাথলেটিকসে নতুন প্রতিভা তৈরি হওয়ার গতি কমে  গেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত