বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ রবিবার (৫ জুলাই) এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৫ জুন দুপচাঁচিয়া উপজেলার ভেলুরচক গ্রামে বিএনপি নেতা আব্দুল করিম আকন্দের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যেভাবে রফিক আকন্দ ও তার পরিবারের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়।
নিজের বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে জামায়াত নেতা সম্রাট হোসেন বাপ্পার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করে সন্ত্রাসীরা। শুধু তাই নয়, বৃদ্ধ মা জোসনা বেগমকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। দীর্ঘদিন ঢাকার হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে ৪ জুলাই শনিবার রাতে সম্রাট হোসেন বাপ্পা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক অবস্থানই অপরাধীদের রক্ষা করার ঢাল হতে পারে না। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বা ভাড়াটে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে মানুষ হত্যা করে পার পাওয়ার দিন শেষ। ইতোমধ্যেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত আব্দুল করিম আকন্দ ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে। আমরা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই, তবে একই সাথে ঘটনার সাথে জড়িত মামলার এজাহারভুক্ত বাকি নামধারী এবং অজ্ঞাতনামা সকল ভাড়াটে সন্ত্রাসীকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে সেক্রেটারি জেনারেল মরহুম সম্রাট হোসেন বাপ্পার রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি তিনি অবিলম্বে বাকী খুনিদের গ্রেফতার করে সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর তাগিদ দেন।