জুন মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতের মূল্যস্ফীতিও। গতকাল সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। বিবিএসের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, গত মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগের মাস মে মাসে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ।
খাদ্য মূল্যস্ফীতিও জুনে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও কমেছে। মে মাসে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা জুন মাসে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ কমে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে এসেছে।
গ্রামাঞ্চলে জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ কমে ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ হয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।
এদিকে ১২ মাসের চলমান গড় মূল্যস্ফীতিতেও কমেছে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে, অর্থাৎ ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এ হার ছিল ১০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ফলে আগের বছরের তুলনায় বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে।
চলতি অর্থবছরের শুরুতে টানা কয়েক মাস মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ৯ শতাংশের ঘরে পৌঁছেছিল। তবে মার্চে তা কিছুটা কমে ৮ শতাংশের ঘরে নেমে আসে। পরে এপ্রিল মাসে আবার বেড়ে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে দাঁড়ায়। সর্বশেষ জুন মাসেও মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে।