ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দেশের পাঁচটি নদীর পানি নয়টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে আরও কয়েকটি নদীর পানি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সকালের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
তাতে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার ওপরে এবং চট্টগ্রামের দোহাজারি পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
একইসময়ে মাতামুহুরী নদী বান্দরবানের লামা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ওপরে এবং কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল।
একইসময়ে মনু নদীর পানি মৌলভীবাজারের মনু রেল-ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে, মৌলভীবাজার পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
খোয়াই নদীর পানি হবিগঞ্জের বল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলেছে, সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী, বেশ কিছু নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছিল। এর মধ্যে তিস্তা নদী ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (লালমনিরহাট) ও তারাপুর (গাইবান্ধা) স্টেশনে; কুশিয়ারা নদী শেরপুর (মৌলভীবাজার) স্টেশনে; সুরমা নদী কানাইঘাট (সিলেট), ছাতক (সুনামগঞ্জ) ও সুনামগঞ্জ স্টেশনে;সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) স্টেশনে; ছোট ফেনী নদী কোম্পানিগঞ্জ (নোয়াখালী) স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছিল।
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ জানালেন মাহদী আমিন