খেলতে গিয়ে দ. কোরিয়ায় মানব পাচারের অভিযোগ!

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ এএম

বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিদেশে নারী পাচারের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও অভিযোগে বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও তায়কোয়ান্দো কোচ মরিয়ম বেগম ইতির নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, আগে ইডেন মহিলা কলেজে তায়কোয়ান্দো প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার সময় খ-কালীন নারী প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মরিয়ম বেগম ইতি। ওই সময় তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রভাব বিস্তার, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর ক্ষোভের মুখে তাকে একটি হলে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে আরও জানা যায়, গত বছর দক্ষিণ  কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত দ্য গ্লোবাল থিঙ্ক ট্যাংক সামিটে ফেডারেশনের পরিচয়ে তাজনুর আক্তার ও ফারজানা জান্নাত রুমা নামের দুই নারীকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে সেখানে অবৈধভাবে রেখে আসার মাধ্যমে ইতি সরাসরি মানব পাচারের মতো অপরাধে জড়ান। দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে, তাজনুর আক্তার ও ফারজানা জান্নাত রুমা দুই তায়কোয়ান্দোকা কোচ ইতির শিক্ষার্থী ছিলেন। তাই কোরিয়ায় তাদের নিয়ে যাওয়ার দায়টা কোচ ইতিরই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে কল দিলেও তা তোলেননি অভিযুক্ত মরিয়ম বেগম ইতি। তবে মানব পাচারের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেই জানান তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) এরশাদুল হক। তার কথা, ‘এটা সত্যি যে, গত বছর দক্ষিণ কোরিয়াতে একটি তায়কোয়ান্দো উৎসবে দুজন খেলোয়াড়কে নিয়ে গিয়েছিলেন ইতি আপা। তবে তারা ফিরে এসেছে। এ সংক্রান্ত ছবিও আমাদের দিতে হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াতে। তাই মানবপাচারের বিষয়টি সত্যি নয়।’ ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও ক্রীড়া নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত