ঢাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও সকাল থেকে রোদ দেখা মিলছে। দিনের কর্মব্যস্ত মানুষ তাদের গন্তব্যে ছুটেছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো আজ শহরের বাসিন্দাদের বায়ুদূষণের কারণে স্বাস্থ্যহানি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কারণ ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২টা ৫২ মিনিটে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্ক বা একিউআই ছিল ৭৯। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী এই স্কোরকে ‘ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ২৬তম স্থানে নেমে গেছে ঢাকা।
বর্ষা মৌসুমে ঢাকার বাতাসের মান তুলনামূলক ভালো থাকে। তবে অন্য সময় বিশ্বের শীর্ষ দূষিত শহরের তালিকার প্রথম দিকেই থাকে রাজধানী শহর।
ঢাকার চেয়ে আজ দক্ষিণ এশিয়ার দুটি শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি। এর মধ্যে পাকিস্তানের লাহরের বাতাস আজও ‘সংবেদনশীলদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’, শহরটির স্কোর ১৩৪। এ ছাড়া ১১৭ একিউআই স্কোর নিয়ে ভারতের দিল্লি শহরের বাতাস ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। একই সময়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে মিশরের কায়রো যার একিউআই স্কোর ১৬৫। এরপরের স্থানে ১৬০ ও ১৫৪ নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে উগান্ডা কাম্পালা ও কঙ্গোর কিনশাসা।
যখন কণা দূষণের একিউআই মান ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে তখন বায়ুর গুণমানকে ‘মাঝারি বা ভালো’ বলে বিবেচনা করা হয়। সূচক ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’বলে মনে করা হয়। ৩০১ এর বেশি হলে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বায়ুদূষণে কারণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।