একে তো চোটের মিছিল, এর মধ্যে পারিবারিক কারণে আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই টেস্ট থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন ডানহাতি পেসার এবাদত হোসেন। এতে দল নির্বাচন করতে গিয়ে চিন্তায় পড়েছেন নির্বাচকেরা।
এদিকে জিম্বাবুয়ে সফরে পাওয়া চোট থেকে সহসা সেরে উঠবেন না নাহিদ রানা। মাঠে ফিরতে অন্তত ২ মাস সময় লাগবে তার। এজন্য আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। এছাড়া চোটে পড়া শরিফুল ইসলাম ও লিটন দাসকে নিয়েও শঙ্কা কাটেনি। অজিদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটি খেলতে পারবেন না তারা। এমনকি ফিটনেস পরীক্ষায় উৎরাতে না পারলে দ্বিতীয় টেস্টেও মাঠে নামা হবে না তাদের।
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলার সময় কাফ মাসলের চোটে পড়েন লিটন। দেশে দুবার পরীক্ষা করালে কিছুই ধরা পড়েনি। এজন্য জিম্বাবুয়ে সফরে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে যান তিনি। তবে অনুশীলনের সময় অস্বস্তি বোধ করায় কোনো ম্যাচ না খেলেই দেশে ফিরে আসেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়ে আরেকবার পরীক্ষা করান। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সেখানে চোট ধরা পড়েছে। তবে খুব বড় কিছু নয় বলেই নিশ্চিত করেছে বিসিবি। তবে ঝুঁকি নেবে না টিম ম্যানেজমেন্ট। জানা গেছে, পূর্ণ সুস্থ না হলে অস্ট্রেলিয়ায় ম্যাচ খেলাবে না তাকে।
এদিকে জিম্বাবুয়ে সফরে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ছিটকে যান শরিফুল-নাহিদও। এদের মধ্যে শরিফুল পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। অজিদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে এই বাঁহাতি পেসার সেরে উঠবেন বলেই মেডিক্যাল বিভাগ থেকে জানা যায়। তবে লিটনের মতো শরিফুলের ক্ষেত্রেও সাবধানে পা বাড়তে চাচ্ছে বিসিবি। শতভাগ ফিটনেস ফিরে না পেলে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলাবে না তাকে।
শঙ্কা বেশি নাহিদকে নিয়ে। বৃহস্পতিবার রাতে তার স্ক্যান রিপোর্ট হাতে পায় বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ। সেখানে চোট ধরা পড়েছে। বিসিবি একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, এবার বড়সড় চোটে পড়েছেন ডানহাতি গতি তারকা। সেরা উঠতে লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে তাকে। অন্তত ২ মাস সময় লাগতে পারে। সে অর্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ মিস করতে করতে যাচ্ছেন নাহিদ।