এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় প্রিন্স মামুন

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে বেরিয়ে আসছে একের পরে এক অভিযোগ আর অপরাধের ঘটনা। কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও দ্বিতীয় স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনাকে মারধরের মামলায় কারাগারে থাকা এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরর এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় জড়িয়ে পড়লেন। 

ফেসবুকে লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর (শ্যোন অ্যারেস্ট) আবেদন করেছে পুলিশ। আগামী ২৯ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 

মামলার আরজিতে বাদী মোহনা উল্লেখ করেন, গত ২৪ জুলাই রাত অনুমান ১২টার দিকে রাজধানীর ভাটার এলাকার বাসায় থাকাকালে প্রিন্স মামুন ফেসবুক লাইভে আসেন। লাইভে বেডরুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বাদীর ব্যবহৃত শাড়ি প্যাঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করবেন এবং এর জন্য বাদী ও তার পরিবার দায়ী থাকবে বলে প্রচার করতে থাকেন। 

বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাদী মোহনা, তার মা, স্বজন ও মামুনের বাবা-মা দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন।পরবর্তীতে পুলিশি সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই ঘটনায় মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় একটি পৃথক মামলা দায়ের করেন। 

এর আগে ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও যৌতুকের জন্য নির্যাতন করার অভিযোগে গত ২৪ জুলাই সকালেই ভাটারা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মোহনা। সেই মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই দিন গভীর রাতে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় মামুনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি হয়। 

বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামির সর্বোচ্চ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান মামুনকে এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছেন।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত