সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক, পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও পঞ্চগড় -২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদের সাথে ছবি জড়িয়ে ভিডিও প্রকাশ করে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও চরিত্র হননের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবাদ জানান ভুক্তভোগি শিক্ষার্থী হেমীন মারিয়া এলিন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান তার বাড়ি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বর্তমানে পঞ্চগড় জেলা সদরের একটি মেসে অবস্থান করে পড়াশোনা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে রাহেমীন মারিয়া এলিন বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের সাথে আমার ছবি যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে। ছবিটি পুরোটাই নকল। এরআগে আমার একটি প্রোগ্রামের জন্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাত করে কথা বলেছিলাম। তখন একটি ছবি তুলেছিলাম। সে ছবিটাই এডিট করে প্রতিমন্ত্রীর সাথে যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এআই দিয়ে যুক্ত করাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে ভিডিও এবং ছবিটি। এটা যারা তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছে তাদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, বিভিন্ন ভুয়া আইডিতে, মাল্টিমিডিয়ায় ও পেইজে ছবি ছাড়ার কারণে আমি পরিবার ও সমাজের কাছে মুখ দেখাতে পারছিনা। বাড়িতেও যেতে পারছিনা। আমার বাবা মা মানা যাওয়ায় অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করে আজকে এ অবস্থানে এসেছি। আমি মকবুলার রহমান সরকারী কলেজে বিএসএস ফাইনাল ইয়ারে পড়াশোনা করি। ভিডিও প্রকাশ করার কারণে আমি এখন কলেজেও যেতে পারছিনা। বাসার বাহিরেও বের হতে পারছিনা। কারও সামনে মুখ দেখাতে পারছিনা।
এরআগেও আমার নামে অপপ্রচার করা হতো ছাত্রলীগের সভাপতির সাথে নাকি আমার সম্পর্ক আছে। সেটাও ছিল মিথ্যা এবং ভুয়া ছিল। আমার নামে ভিডিও প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এ ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এনিয়ে উপজেলা ও জেলা বিএনপি প্রতিবাদ মিছিল করে। সংবাদ সম্মেলন করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
