বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন থেকে বিদায় নিলেও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে নিজের কর্র্তৃত্ব ধরে রাখলেন কাজী সালাউদ্দিন। গতকাল ভুটানের থিম্পুতে আয়োজিত সাফের কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও সংস্থাটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের এই সাবেক তারকা ফুটবলার।
২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর বাফুফেতে ১৬ বছরের দীর্ঘ অধ্যায়ের ইতি টানেন সালাউদ্দিন। তবে বাফুফেতে না থাকলেও ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৭ বছর সাফের শীর্ষ পদটি ঠিকই ধরে রাখলেন তিনি। মূলত সাফের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে বয়সসীমা (৭০ বছর) ও সর্বোচ্চ দুই মেয়াদের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার পরই সালাউদ্দিনের পুনর্নির্বাচনের পথ পরিষ্কার হয়ে যায়।
দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাফুফের বর্তমান কমিটি তাকে সমর্থন দেওয়ার পক্ষে ছিল না। তবে সালাউদ্দিন বাফুফের সমর্থনের অপেক্ষায় না থেকে নেপাল ও ভুটান ফুটবল ফেডারেশনের প্রস্তাব ও সমর্থনে নিজ প্রার্থিতা নিশ্চিত করেন। একক প্রার্থী হওয়ায় আগেই তার জয় নিশ্চিত ছিল, আজ থিম্পুতে সেটি স্রেফ আনুষ্ঠানিকতা পেল। এই কংগ্রেসেই বাফুফের বর্তমান সহসভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফকে সাফের নতুন নির্বাহী সদস্য করা হয়েছে।
নির্বাচিত হওয়ার পর কাজী সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘নেপাল ও ভুটানের প্রস্তাবনা আর সমর্থনে আমি এবার প্রার্থী হই। অন্যদের আমার ওপর আস্থা ছিল বলে আর কোনো মনোনয়নপত্র জমা পড়েনি। তাই আবারও নির্বাচিত হতে পেরেছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ সাফের সভাপতি হিসেবে এতদিন যেভাবে কাজ করে এসেছেন সেভাবেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন সালাউদ্দিন। তার কথা, ‘সাফের কার্যক্রম আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এই গতিটা ধরে রাখা হবে আমার কাজ। একই সঙ্গে সাফকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।’
