প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন বাঁশখালী সফর এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘরের কাজ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বুধবার (৫ আগস্ট) তিনি বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থল ও নির্মাণাধীন ঘরগুলো ঘুরে দেখেন।
আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাঁশখালী সফরের কথা রয়েছে। সফরকালে তিনি সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক সেখানে মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন।
অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজনের জন্য প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পরে বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মান নিয়েও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।
পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
