নতজানু পররাষ্ট্রনীতির দিন শেষ, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতেই এগোচ্ছে দেশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে ধারণ করে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি পরিহার এবং সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার কথা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪২ এএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ আজ একটি আত্মমর্যাদাশীল, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি সরকারের এই দৃঢ় ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতির বিষয়টি তুলে ধরেন।

মাহদী আমিন তাঁর স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে কোনো ধরনের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ঠাঁই থাকবে না। দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক- প্রতিটি কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমতা এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতে কেবল দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েই অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি আত্মমর্যাদায় গৌরবান্বিত দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত ফ্যাসিস্ট নেত্রীকে দিল্লিতে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যেভাবে জোরালো ভাষায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে, সেটির উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই প্রতিক্রিয়া একটি সার্বভৌম ও মর্যাদাবান বাংলাদেশের আসল প্রতিচ্ছবি বহন করে।

তিনি আরও যোগ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক সার্বভৌমত্বের জাতীয়তাবাদী ধারাকে ধারণ করেই বর্তমান পথচলা অব্যাহত রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির ওপর দাঁড়িয়ে দেশ আজ একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত রাষ্ট্র হিসেবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত