প্রবাসীদের জন্য প্রথম ধাপে ৬০০ কার্ড

 জনতা ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি কাল

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ এএম

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের ব্যাংকিং, রেমিট্যান্স ও সরকারি সেবা গ্রহণ আরও সহজ করতে চালু হচ্ছে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আগামীকাল সোমবার রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। চুক্তির পর পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ধাপে ৬০০ প্রবাসী বাংলাদেশির মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হবে। শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের জন্য একাধিক সেবা একটি প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার লক্ষ্যেই এ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ব্যাংকিং ও রেমিট্যান্স সেবাকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও পর্যায়ক্রমে সরকারি সেবা, প্রবাসী কল্যাণমূলক সুবিধা, দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সেবা এবং ডিজিটাল সেবাও এর সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদা বেগম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রবাসী কার্ড’কে শুধু একটি ব্যাংকিং কার্ড হিসেবে না দেখে প্রবাসীদের জন্য একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রবাসীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বিদেশে বসেই যেন তারা দেশের ব্যাংকিং ও সরকারি সেবার সঙ্গে সহজে যুক্ত থাকতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কার্ডের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো ও গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করার সুযোগ তৈরি হবে।

সরকারের প্রবাসী কল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি ও সুবিধা কার্ডধারীদের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবেও কার্ডটি ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা যাতে অনলাইনে কার্ডের তথ্য, আবেদন, সেবা গ্রহণ ও লেনদেনের তথ্য জানতে পারেন, সে ধরনের ডিজিটাল সুবিধাও যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। তবে কার্ডের সঙ্গে ঠিক কোন কোন সুবিধা চূড়ান্তভাবে যুক্ত হচ্ছে, তা আগামীকালের চুক্তি স্বাক্ষরের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি সুবিধা থাকায় প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য এ ধরনের কার্ড চালু হলে তাদের সঙ্গে ব্যাংকিং ব্যবস্থার যোগাযোগ আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের উৎসাহিত করা সম্ভব হবে। এতে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়ানোরও সুযোগ রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত