জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ সাতটি পদ পেয়েছেন সন্দ্বীপের সাত তরুণ-তরুণী।
নবগঠিত ছয় মাস মেয়াদি এই কমিটিতে যুগ্ম-আহ্বায়ক পদে মঞ্জুর মাওলা, মোহাম্মদ আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আমির হোসাইন আতিক, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদে দানিয়েল আলম, সহ-আইন ও শৃঙ্খলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট তারেক মুজাহিদ, নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে ফাতেমা ইসলাম এবং সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে আদিবা হুমাইরা দায়িত্ব পেয়েছেন।
এনসিপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এমপি আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ স্বাক্ষরিত প্যাডে ১০ আগষ্ট সোমবার চট্টগ্রাম উত্তর জেলা এনসিপি’র এই আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নবগঠিত কমিটির মেয়াদ ছয় মাস। এ সময়ে কমিটির কার্যক্রম সরাসরি এনসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটি পর্যবেক্ষণ করবে। ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের পর কমিটি বহাল রাখা হবে, নাকি প্রয়োজন অনুযায়ী সংযোজন-বিয়োজন করা হবে—সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সন্দ্বীপের সাতজন একই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
নবনির্বাচিত কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দানিয়েল আলম বলেন, দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের কল্যাণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এনসিপি-এর আদর্শ ও কর্মসূচিকে সামনে রেখে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা, অধিকার ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি গণমুখী, জবাবদিহিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণই আমাদের মূল লক্ষ্য। উত্তর জেলা এনসিপি’র নবগঠিত কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া আমাদের জন্য শুধু একটি সাংগঠনিক পদ নয়; এটি জনগণের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ও দায়বদ্ধতা।
দানিয়েল আলম আরও বলেন, আমরা আমাদের মেধা, শ্রম, সময় ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। জনগণের সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করার চেষ্টা থাকবে।
নব-নির্বাচিত কমিটির নেতারা বলেন, দল-মত ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের অধিকার, দেশের সার্বভৌমত্ব, উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি উন্নত, শক্তিশালী, ন্যায়ভিত্তিক ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
নেতারা আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে আমাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে।
