গাদাগাদি করে একের পর এক সুউচ্চ ভবন তোলার চিরাচরিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে ভিন্ন এক পথ বেছে নিয়েছে আবাসন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রে হোয়াইট লিমিটেড। শুধু ইট-পাথরের দেয়াল না গড়ে দৃষ্টিনন্দন নকশা, খোলামেলা পরিবেশ এবং নিখুঁত নির্মাণশৈলীকে প্রাধান্য দিয়ে রাজধানীর প্রিমিয়াম আবাসন খাতে দ্রুত নিজেদের জায়গা শক্ত করছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটি ফ্ল্যাট নির্মাণে পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানকেই তারা প্রাধান্য দিচ্ছেন। আধুনিক স্থাপত্যকলার সঙ্গে প্রাকৃতিক আলো-বাতাস ও সবুজের সমন্বয়ে ব্যক্তিগত রুচির প্রতিফলন ঘটানোই তাদের মূল লক্ষ্য। মূলত রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকাকে কেন্দ্র করে তাদের ফ্ল্যাগশিপ আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠছে।
রে হোয়াইট লিমিটেডের অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে কার্যকারী স্পেস প্ল্যানিং, দৃষ্টিনন্দন ল্যান্ডস্কেপিং এবং উচ্চমানের ফিনিশিং নিশ্চিত করা হচ্ছে। বাসিন্দাদের প্রাত্যহিক নাগরিক ক্লান্তি দূর করতে তাদের প্রতিটি প্রকল্পে যুক্ত করা হয়েছে রুফটপ ইনফিনিটি পুল, সবুজ বাগান, জিমনেসিয়াম, বহুমুখী কমিউনিটি হল ও লেক-ফেসিং ভিউ।
রে হোয়াইট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএস হোসেন বলেন, ‘আমাদের সূচনালগ্ন থেকেই ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশে আধুনিক আবাসন বলতে আমরা যা বুঝি, সে ধারণায় পরিবর্তন আনা। যেখানে সূক্ষ্ম নকশা এবং নির্মাণ মান পাশাপাশি চলবে। প্রতিটি ধাপেই আমরা নিজস্ব তদারকি বজায় রাখি।’
ঢাকা নগরের অবকাঠামোগত প্রসারের কারণে বর্তমানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও জলসিঁড়ি আবাসনের মতো পরিকল্পিত এলাকাগুলোতে অ্যাপার্টমেন্টের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সময়োপযোগী আধুনিক সুবিধা, আন্তর্জাতিক মান ও স্বচ্ছ সেবার ওপর ভর করে আবাসন ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় রূপ নিচ্ছে রে হোয়াইট।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও স্থাপত্যের গুণগত মান, ট্রাস্ট ও দীর্ঘস্থায়ী নান্দনিকতা বজায় রেখে ঢাকা শহরের শীর্ষস্থানীয় এলাকায় আরও কিছু নতুন আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প উপহার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।