৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১১ দলের লংমার্চ সফল করতে প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান ও ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো. কামাল হোসাইন এমপিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, এফডিইবি’র কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুস সাত্তার শাহ এবং প্রচার, মিডিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিভাগের দায়িত্বশীল ও ছাত্রপ্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আগামী ৫ সেপ্টেম্বর গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১১ দলের লংমার্চ সফল করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতি ও করণীয় নিয়েও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরু হবে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন। লংমার্চটি নারায়ণগঞ্জের মদনপুর, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভায় অংশ নেবে। পরে চট্টগ্রামে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে।

এ ছাড়া পথে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয়রা লংমার্চকে অভিবাদন জানাবেন। সংশ্লিষ্ট উপজেলা পর্যায়ের মানুষ অভিবাদন শেষে লংমার্চের বহরে যোগ দেবেন বলে সভায় জানানো হয়।

সভায় ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লংমার্চকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে নেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরদিনই ১১ দলের শীর্ষ বৈঠকে সংসদ ও রাজপথে একসঙ্গে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় শুরু থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন তারা।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অবস্থা দেখে আবারও জুলাই আন্দোলনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। সরকার জুলাইকে মুছে দিতে চায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, জুলাইকে মুছে দিতে বা থামাতে দেওয়া হবে না। গণঅভ্যুত্থান জনগণ করেছে, এটি কোনো দলের ইস্যু নয়; এটি জনগণের ইস্যু।

হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, কৃষকরা সার পাচ্ছেন না। সাতটি সার কারখানার মধ্যে ছয়টি বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিভিন্ন কারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং কোনো কোনো কারখানা বন্ধও হয়ে গেছে।

লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষসহ দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত