বাংলাদেশের দুঃস্বপ্নের শুরুতে ২১ রানেই ৬ নেই উইকেট, স্টার্কের ফাইফার

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪০ এএম

ম্যাকাইতে এক চরম হতাশার সকাল দেখল বাংলাদে দল। ডারউইনের সেই দাপট যেন উড়ে গেল এক লহমায়। মিচেল স্টার্কের পেস তোপে স্কোরবোর্ডে ১২ রান তুলতেই সাজঘরে ৫ ব্যাটার! যার মধ্যে সাদমান, তানজিদ, শান্ত, লিটন ৪ জনই ফিরেছেন শূন্য রান করে। আর মুমিনুল ফিরেছেন ৯ রান করে। শুরুর এই পাঁচ ব্যাটারেকেই ফিরিয়ে ফাইফার তুলেছেন স্টার্ক।

দলীয় ২১ রানের মাথায় ফিরেছেন মুশফিকও। সেখান থেকে প্রথম সেশনের বাকি সময় ব্যাটিংয়ের চরম বিপর্যয় এড়াতে লড়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়া আগে ২৩ ওভার শেষে ৬ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৫ রান।

বাংলাদেশের কল্পনাতীত সেশন, ২২ বলেই স্টার্কের ফাইফার

ম্যাকাইতে টসে হেরে একাদশে এক পরিবর্তন (এবাদতের পরিবর্তে শরিফুল) নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই শুরু এক কল্পনাতীত দুঃস্বপ্নের সেশনের। ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। সেখান থেকে দলীয় সংগ্রহ ৯ রানের মধ্যেই আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দেন স্টার্ক। দুজনেই ফিরেছেন রানের খাতা না খুলেই। স্টার্কের পরের ওভারেই ফেরেন মুমিনুলও। স্কোরবোর্ডে তখন স্রেফ ১০ রান। যার মধ্যেই ৯ রানই এসেছে মুমিনুলের ব্যাট থেকে।

ইনিংসে নিজের ২২তম বলে স্টার্কের পঞ্চম শিকার লিটন দাস। ডারউইনের প্রথম ইনিংসের মতো ম্যাকাইতেই ‘ডাক’ মেরে ফিরলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। এদিকে পরিসংখ্যান উঁকি দিচ্ছিল এটাই সবচেয়ে দ্রুততম ফাইফারের কীর্তি কি-না। না, গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৫ বলে এই স্টার্কই তুলেছিলেন টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুততম ফাইফার।

শুরুর সেই ব্যাটিংয়ের চরম বিপর্যয় কাটিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার আভাস দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। খেলে ফেলেছিলেন ৪৬ বল। তবে ব্যক্তিগত খাতায় ততক্ষণে উঠেছে ৫ রান! আর পরের বলেই বোল্ড। ১৬তম ওভারে দলীয় ২১ রানের মাথায় কামিন্সের প্রথম শিকান হন মুশফিক।

সেশনের বাকি সময়ে হতাশা কাটানোর প্রচেষ্টায় মিরাজ-হাসান

ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়েছিল মিরাজ-হাসান জুটি। তবে সেখানে ছিল লিড বড় করার লক্ষ্য আর দাপট ছিল সফরকারীদের। তবে ম্যাকাইতে যখন স্কোরবোর্ডে ২১ রানেই নেই ৬ উইকেট। তখন কাজটা এখন কেবল সর্বনিম্ন রানের লজ্জার অলআউটের রেকর্ড (৪৩ রানের) এড়ানোর। সেশনের বাকি সময়ে নিজেদের উইকেটটা যেন কোনোমতে সামলে রেখেছেন মিরাজ-হাসান জুটি। সেখানে ৪৮ বল খেলে ১১ রানে অপরাজিত আছেন মিরাজ। আর ৮ রানে ব্যাট করছেন হাসান। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত