ওজন কমানোর দৌড়ে কঠোর ডায়েট বা দীর্ঘ সময় ব্যায়ামের বদলে এখন আলোচনায় এসেছে ‘৩০-৩০-৩০ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ওজন কমানোর তিনটি ভিন্ন ভিন্ন উপায়কে একত্র করা হয়েছে। ব্যায়াম, পুষ্টি ও মানসিক প্রশান্তিকে একত্র করে তৈরি করা। এই পদ্ধতিতে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যে ৩০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পদ্ধতিটির মূল লক্ষ্য হলো দিনের শুরুতেই শরীরকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দেওয়া এবং সক্রিয়তা বাড়ানো। ডিম, দই, দুধ, মাছ, মুরগি, ডাল বা অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার থেকে সকালের খাবারে প্রয়োজনীয় প্রোটিন যোগ করা যেতে পারে। এরপর ব্যায়াম করা যায়।
এতে ক্যালরি বার্ন হয়, ইনসুলিনও তৈরি হয়, যা শরীরকে প্রতিটি মুহূর্তে ব্যস্ত রাখে। আর ওজন কমাতে চাইলে শরীরকে যত বেশি ব্যস্ত রাখা যায়, তত ভালো। প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত ৩০ মিনিট শরীরচর্চায় মনোযোগ দিতে হবে। সেটা হতে পারে হাঁটা, দৌড়ানো, কার্ডিও, সাঁতার কাটা ও জিম করা। প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত ৩০ মিনিট যেকোনো ব্যায়ামের অনুশীলন করতে হবে। এরপর ৩০ মিনিট মানসিক প্রশান্তিতে থাকা। অর্থাৎ মনের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করে, এমন কিছু করা। ধ্যান ও যোগব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে বড় ভূমিকা রাখে। সুস্থ শরীরের জন্য প্রয়োজন সুস্থ মন। তাই শরীরের ওজন কমাতে চাইলে আগে মনের ওপর থেকে আলাদা ভর কমাতে হবে। তাই সুস্থ মনে শরীরচর্চা করা অতীব জরুরি। ‘৩০-৩০-৩০’ পদ্ধতির জনপ্রিয়তার বড় কারণ এর সরলতা। এতে নির্দিষ্ট কোনো খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার নিয়ম নেই।