শিল্পের সবুজ রূপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চায় ব্র্যাক ব্যাংক

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৩ এএম

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সবুজ অর্থনীতিতে রূপান্তরে ব্যাংকিং খাতকে শুধু অর্থের জোগানদাতা হিসেবে নয়, বরং ব্যবসা ও শিল্পের রূপান্তরের অংশীদার হিসেবে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান। তার মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি- সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গ্রিন বিল্ডিং ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি হাজার হাজার এসএমইকে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে নিয়ে আসতে হবে। দেশ রূপান্তরের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে গ্রিন ফাইন্যান্সের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা, নীতিগত সহায়তা ও ব্র্যাক ব্যাংকের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান।

দেশ রূপান্তর : বাংলাদেশের অর্থনীতিকে গ্রিন অর্থনীতিতে রূপান্তরে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : অর্থনীতির কোন খাতে বিনিয়োগ বাড়বে, সেই সিদ্ধান্তে ব্যাংকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে গ্রিন অর্থনীতিতে রূপান্তরেও ব্যাংক খাতের বড় ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানির কার্যকর ব্যবহার, পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রিন অর্থনীতিতে রূপান্তর শুধু পরিবেশ সুরক্ষার বিষয় নয়; এর সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও জড়িত। আগামী দিনে রপ্তানিমুখী শিল্পসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চতর পরিবেশগত ও টেকসই মানদ- পূরণ করতে হবে।

তাই ব্যাংকের কাজ শুধু গ্রিন প্রকল্পে অর্থায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষ, পরিচ্ছন্ন ও জলবায়ু সহনশীল কার্যক্রমে রূপান্তরেও সহায়তা করতে হবে। এ কারণে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবসা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

দেশ রূপান্তর : আপনার ব্যাংকের মোট ঋণ বিতরণের কত শতাংশ বর্তমানে গ্রিন ও টেকসই অর্থায়নে যাচ্ছে? এ খাতে অর্থায়ন বাড়ানোর পরিকল্পনা কী?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : টেকসই অর্থায়ন ইতিমধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের অর্থায়ন পোর্টফোলিওর উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে রয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধ শেষে আমাদের টেকসই অর্থায়ন পোর্টফোলিও ৬০ হাজার কোটি টাকা এবং গ্রিন অর্থায়ন পোর্টফোলিও সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

শুধু পোর্টফোলিওর আকার নয়, অর্থায়নের মাধ্যমে কী অর্জন হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, গ্রিন বিল্ডিং, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সার্কুলার অর্থনীতি এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে সক্ষম বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন বাড়াতে চাই।

এসএমই খাতেও বড় সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কয়েকটি বড় প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে গ্রিন অর্থনীতিতে রূপান্তর করা সম্ভব নয়। হাজার হাজার এসএমইকে যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন, জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানো এবং পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

একই সঙ্গে দেশের সামাজিক বন্ড বাজারকেও এগিয়ে নিতে চাই। আমরা ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার সমিতির সামাজিক বন্ড নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের প্রথম ১ হাজার কোটি টাকার সোশ্যাল বন্ড ইস্যু করেছি। পাশাপাশি গ্রিন প্রকল্পে অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার সমিতির নীতিমালাসম্মত গ্রিন বন্ড ইস্যুর উদ্যোগ নিয়েছি।

দেশ রূপান্তর : বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন ফাইন্যান্স নীতিমালা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলো কতটা সফল? নীতিমালা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কোনো ঘাটতি রয়েছে কি?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : গ্রিন ও টেকসই অর্থায়নের জন্য নীতিগত কাঠামো গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ভালো অগ্রগতি করেছে। এ ধারণাকে ব্যাংকিংয়ের মূলধারায় নিয়ে আসতে বাংলাদেশ ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংককে সাধুবাদ জানাই। তবে কিছু ব্যাংকের জন্য নীতিমালা বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। অনেক ব্যাংকের কারিগরি সক্ষমতা, প্রকল্প মূল্যায়ন, তথ্য-উপাত্ত এবং উপযুক্ত গ্রিন প্রকল্প খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে নীতিগত চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। দেশের ব্যাংকগুলো গ্রিন ও টেকসই অর্থায়নের প্রস্তুতির ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের মতো কিছু ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কাজ করছে। আমরা অর্থায়নের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় নিচ্ছি। পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও কার্বন নিঃসরণ পরিমাপের সক্ষমতাও বাড়াচ্ছি।

দেশ রূপান্তর : গ্রিন প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : আলাদা করে কোনো একটি বাধাকে চিহ্নিত করা কঠিন। কারণ চ্যালেঞ্জগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। অনেক প্রকল্পে প্রযুক্তি সহজলভ্য এবং পরিবেশগত সুবিধা স্পষ্ট হলেও আর্থিক বা কারিগরি দিক থেকে প্রকল্পটি যথেষ্ট প্রস্তুত থাকে না। আবার ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে গ্রিন প্রযুক্তিতে প্রাথমিক বিনিয়োগ অনেক বেশি হতে পারে। কিছু নতুন প্রযুক্তির বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের নজিরও নেই। ফলে উদ্যোক্তা ও অর্থায়নকারী দুপক্ষকেই সতর্ক থাকতে হয়।

এ কারণে গ্রিন অর্থায়নকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাস্তুতন্ত্র হিসেবে দেখতে হবে। সহজলভ্য ও দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের পাশাপাশি কারিগরি সহায়তা, প্রকল্প প্রস্তুতি, গ্যারান্টি এবং ঝুঁকি ভাগাভাগির কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। এসব উপাদান একসঙ্গে নিশ্চিত করা গেলে বর্তমানে যেসব প্রকল্পকে কঠিন বা অযোগ্য মনে হচ্ছে, সেগুলোও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই করা সম্ভব।

দেশ রূপান্তর : নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে কী ধরনের সুবিধা দিচ্ছেন?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : ব্র্যাক ব্যাংক নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরবিদ্যুৎ, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, গ্রিন বিল্ডিং, বর্জ্যপানি শোধন, পুনর্ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন গ্রিন কার্যক্রমে অর্থায়ন করছে। যোগ্য প্রকল্পের অর্থায়ন সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার পাশাপাশি অন্যান্য গ্রিন অর্থায়ন তহবিলের সঙ্গেও কাজ করছি।

ঢাকা ও বড় করপোরেট গ্রাহকদের বাইরে গ্রিন অর্থায়ন ছড়িয়ে দিতে সারাদেশের প্রায় ৫০টি শাখায় টেকসই অর্থায়ন সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করেছি। এসব ডেস্ক থেকে গ্রাহকরা টেকসই অর্থায়ন সম্পর্কে সহজে জানতে পারছেন।

আমরা দেখেছি, গ্রাহক যখন এই বিনিয়োগের ব্যবসায়িক সুবিধা বুঝতে পারেন, তখন গ্রিন বিনিয়োগ তাদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। যেমন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচ কমানো বা জ্বালানি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তাই শুধু ঋণ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য নয়, এই বিনিয়োগ কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসাকে শক্তিশালী করবে, সেটিও গ্রাহকদের বোঝাতে চাই।

দেশ রূপান্তর : তৈরি পোশাক, চামড়া, টেক্সটাইলসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকে গ্রিন উৎপাদন ব্যবস্থায় নিতে ব্যাংকগুলোর ভূমিকা কী?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় একটি অংশ এসব খাতের ওপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে পরিবেশ সুরক্ষা, সম্পদের কার্যকর ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। শিল্পকারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন, জ্বালানি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার, বর্জ্যপানি শোধন, পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি এবং বর্জ্য কমানোর উদ্যোগে অর্থায়নের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এই রূপান্তরে সহায়তা করতে পারে। এটিকে শুধু কমপ্লায়েন্সের বিষয় হিসেবে দেখা উচিত নয়। এসব বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচালন ব্যয়ও কমাতে পারে। ব্র্যাক ব্যাংক এ খাতে দীর্ঘমেয়াদি তহবিল বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক থেকে আমরা ছয় কোটি ইউরোর অর্থায়ন সুবিধা পেয়েছি, যা নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ টেকসই অর্থায়নে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের গ্রিন রূপান্তরকে ‘অতিরিক্ত খরচ’ না দেখে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও ব্যবসার সহনশীলতা বাড়ানোর বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত।

দেশ রূপান্তর : গ্রিন ফাইন্যান্স প্রসারে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের কাছ থেকে কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : এখন নীতিগত কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক ও জলবায়ু বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার দিকে এগোতে হবে।

বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ বাড়ছে। তাই নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত আরও বেশি গুরুত্ব দাবি করে। এটি দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে পারে। এ জন্য ব্যবসা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করতে সাশ্রয়ী পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রয়োজন। পাশাপাশি ক্রেডিট গ্যারান্টি, ঝুঁকি ভাগাভাগি, যৌথ অর্থায়ন ও রেয়াতি তহবিলের মতো ব্যবস্থা চালু বা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। নতুন প্রযুক্তি ও ছোট ব্যবসাকে গ্রিন করার মতো তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ অর্থায়নে এসব ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দীর্ঘমেয়াদে গ্রিন বিনিয়োগকে বাণিজ্যিকভাবে টেকসই করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। উপযুক্ত নীতিগত সহায়তা, সাশ্রয়ী পুনঃঅর্থায়ন ও বেসরকারি খাতের পুঁজিকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে পারলে পরিচ্ছন্ন, জ্বালানি-নিরাপদ ও সহনশীল অর্থনীতিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

দেশ রূপান্তর : নিজস্ব কার্যক্রম থেকে কার্বন নিঃসরণ কমাতে ও পেপারলেস ব্যাংকিং প্রসারে কী উদ্যোগ নিয়েছেন?

তারেক রেফাত উল্লাহ খান : ব্র্যাক ব্যাংক মনে করে, টেকসই উন্নয়নের শুরু নিজেদের কার্যক্রম থেকেই হওয়া উচিত। তাই ডিজিটালাইজেশন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং নিজস্ব কার্যক্রমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে একযোগে কাজ করছি। আমাদের ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘আস্থা’র নিবন্ধিত গ্রাহক ১৩ লাখ ছাড়িয়েছে। প্রতি মাসে এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। ডিজিটাল লেনদেনের ফলে কাগজের ব্যবহার, গ্রাহকের যাতায়াত এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারের প্রয়োজন কমেছে। আমাদের টেকসই প্রভাব মূল্যায়ন অনুযায়ী, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকের যাতায়াত, বিদ্যুৎ ও কাগজের ব্যবহার কমিয়ে বছরে প্রায় ১৮ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রধান ও শাখা কার্যালয় এবং এটিএম বুথে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াচ্ছি। পাশাপাশি পিসিএএফ পদ্ধতি অনুসরণ করে অর্থায়নজনিত নিঃসরণসহ গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ পরিমাপের সক্ষমতা জোরদার করছি। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মান এবং বৈশি^ক প্রতিবেদন উদ্যোগের সঙ্গেও আমাদের সমন্বয় বাড়ছে।

আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার, ব্যাংকের নিজস্ব পরিবেশগত প্রভাব কমানোর পাশাপাশি অর্থায়ন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরও টেকসই অর্থনীতিতে বৃহত্তর পরিবর্তনকে এগিয়ে নেওয়া।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত