চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (চাকসু) সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা বিভাগের উদ্যােগে প্রকাশিত সাময়িকী চাকসুপত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও চাকসু সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান চাকসুপত্রের উন্মোচন করেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু ভবনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
চাকসুর সহ-সাহিত্য সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক জিহাদ আহনাফের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন চাকসু পত্রের সম্পাদকীয় উপদেষ্টা ও দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, “চাকসু শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে খুবই সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। আশা রাখবো, চাকসু প্রতিনিধিরা এই ধারা অব্যাহত রাখবে। শিক্ষার্থীদের কন্ঠস্বর হওয়ার জন্য চাকসুর দরকার আছে।”
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, “শুরুর দিকে চাকসুর ইচ্ছে ছিল ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন বের করার। কিন্তু আমরা প্রথম ৭মাস কোনো বাজেট পায়নি। তাই আমাদের ইচ্ছে থাকলেও আমরা সেটা পারিনি। আজ চাকসুর ১১ তম মাসের প্রথম দিনে আমরা চাকসুর সাময়িকী বের করতে পেরেছি। আশা করছি, এই ম্যাগাজিন শিক্ষার্থীদের লেখালেখি কিংবা বিভিন্ন কিছু জানার জন্য কাজে আসবে।”
চাকসুর প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, “চাকসু আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। একটি আরেকটির সহযোগী। আমাদের সকলের প্রচেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করা। আমাদের সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে।”
চাকসুপত্রের সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ও চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, “যারা সাময়িকীতে লেখা জমা দিয়েছেন তারা আজকের এই অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। লিখতে পারা অনেক বড় একটি গুণ। আমি আশা করবো, চাকসুর সাহিত্য বিভাগ খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আরও দুইটি নতুন সাময়িকী বের করবে৷”