প্রাচীন ভারতীয় ভাস্কর্য ও মন্দিরের অলংকরণে ঘণ্টার মতো ঝুলন্ত কানের গয়নার দেখা মেলে; সেখান থেকেই সময়ের সঙ্গে ঝুমকার নকশার বিকাশ হয়েছে বলে মনে করা হয়। ঝুমকা শুধু কানের অলংকার নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ। মুঘল আমলে কারুকাজ, মুক্তা ও মূল্যবান পাথরের ব্যবহার ঝুমকাকে আরও নান্দনিক করে তোলে। পরে বাংলা ও উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় শিল্পরীতি যুক্ত হয়ে তৈরি হয় নানা ধরনের ঝুমকা। গোল ঝুমকা, কুন্দন, মীনা, মুক্তা, টেম্পল, ঝুমুর ও অক্সিডাইজড ঝুমকা নকশা ও উপকরণভেদে রয়েছে এর অসংখ্য ধরন। সোনা-রুপার পাশাপাশি পিতল, বিভিন্ন ধাতু, পাথর ও কৃত্রিম উপকরণেও তৈরি হয় ঝুমকা। বিশেষ করে বিয়ের সাজে ঝুমকার জনপ্রিয়তা বরাবরই আলাদা। শাড়ি, লেহেঙ্গা বা বেনারসির সঙ্গে ভারী সোনার ঝুমকা কনের সাজে যোগ করে ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের ছোঁয়া। আবার আধুনিক সাজে ছোট ও হালকা ঝুমকা হয়ে উঠেছে প্রতিদিনের ফ্যাশনের অনুষঙ্গ। সময় বদলেছে, নকশা বদলেছে, কিন্তু ঝুমকার আবেদন আজও রয়ে গেছে একই রকম।
ঝুমকা
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ এএম
আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ এএম
ঝুমকা
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০