ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন আরলিং হালান্ড। সতীর্থ আন্তোইন সেমেনিওর বাড়ানো নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান এই নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড। চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে এটি ছিল হালান্ডের তৃতীয় গোল।
গোল খাওয়ার পর চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে সদ্য প্রিমিয়ার লিগে উঠে আসা ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের কভেন্ট্রি সিটি ম্যাচে সমতা ফেরাতে একের পর এক আক্রমণ চালায়। তবে ম্যানচেস্টার সিটির অভিজ্ঞ গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোন্নারুম্মার বেশ কয়েকটি দারুণ সেভ সিটিকে সম্ভাব্য ড্রয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। বিশেষ করে ম্যাচের শেষ দিকে কভেন্ট্রির বদলি ফুটবলার এলিস সিমসের বিপজ্জনক একটি শট ফিরিয়ে দেন তিনি।
ম্যাচ শুরুর আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সিটির নবাগত তারকা এনজো ফার্নান্দেজ। মূলত বেঞ্চে থাকার কথা থাকলেও ম্যাচের ঠিক আগে ওয়ার্ম-আপের সময় নিকো ও'রাইলি চোট পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে এনজোকে একাদশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
মাঠে নেমে ৭৬ মিনিট পর্যন্ত খেলেন এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। মাঝমাঠে দলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। পরে ৭৬ মিনিটে তার বদলে আইয়ুব বৌদ্দিকে মাঠে নামান কোচ মারেসকা। নতুন আরেক সাইনিং ইলিমান এনদিয়ায়েও সিটির হয়ে এ ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন।
এই জয়ের ফলে টানা তিন ম্যাচে তিন জয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান শক্ত করল ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে, ভালো লড়াই করেও তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে টেবিলের তলানিতেই রয়ে গেল ল্যাম্পার্ডের কভেন্ট্রি সিটি।
'ইমরানের মতো মানুষ অমানবিক পরিস্থিতির শিকার', মানতে পারছেন না লারা