বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আগামী আসর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানেন না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সাংবাদিকদের মাধ্যমেই তিনি বিষয়টি প্রথম জানতে পেরেছেন বলে অকপটে স্বীকার করেছেন।
রবিবার ধানমন্ডির রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। বিপিএল স্থগিতের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, 'বিপিএল যে আয়োজিত হবে না, তা এইমাত্র আপনাদের মুখ থেকেই প্রথম শুনলাম।
টুর্নামেন্টের নতুন মডেল ও কাঠামোগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে বিপিএলের আগামী আসর এক মৌসুমের জন্য স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিপিএলের সুশাসন, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানা এবং আয়োজনের মান নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই নানা সমালোচনা চলছিল। নতুন মডেলে বিপিএল পুনর্গঠনের জন্য এবার এক বছরের বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।লিগের নতুন রূপরেখা নিয়ে গত ২৯ আগস্ট রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। এছাড়া ক্রিকেটারদের ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সঙ্গেও একাধিক আলোচনা চালিয়েছে বিসিবি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্রিকেটাররা এক মৌসুমের বিরতি মেনে নিয়েছেন। তবে বিপিএল না থাকায় ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোর ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। চলতি বছর বিপিএলের বিকল্প কোনো টুর্নামেন্ট থাকছে না বলে কোয়াব সভাপতি মিঠুন নিশ্চিত করেছেন।
সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি শোনার পর বিপিএলের গুরুত্ব তুলে ধরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল বলেন, এত বড় একটি আয়োজন নিয়মিত অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত, 'বিপিএল আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি টুর্নামেন্ট। আপনারা বলছেন বিসিবি সভাপতি কিছু যুক্তিসঙ্গত কারণ তুলে ধরেছেন। তবে আমার মনে হয়, এ ধরনের টুর্নামেন্ট প্রতি বছরই হওয়া প্রয়োজন। এবার কেন এটি সম্ভব হচ্ছে না, তা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।'
প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, ভবিষ্যতে এসব আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় এবং নিয়মিত আয়োজিত হতে পারে, সেদিকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সর্বদা নজর রাখবে।
লন্ডন ডার্বি: পুরনো দুই বন্ধুর নতুন লড়াই