আজ ১১ সেপ্টেম্বর ৫৭ তে পা রাখলেন নন্দিত কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। বেশকিছু দিন ইউরোপের ইতালি, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে বেশ কয়েকটি দেশে স্টেজ শো করে ১০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেছেন তিনি। মূলত জন্মদিনকে ঘিরেই দেশে ফিরেছেন বলে জানান একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই গায়িকা। যদিও তিনি জানিয়েছেন জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই তার। কিন্তু পরিবার ও তার ভক্তরা দিনটিকে প্রতিবছরই নানাভাবে বিশেষায়িত করে তোলার চেষ্টা করে। এবছরও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
কনকচাঁপা বলেন, ‘বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই। আমার মেয়েই জন্মদিন নিয়ে সব পরিকল্পনা করত। কিন্তু সে তো এখন দেশের বাইরে থাকে। আর ছেলে একটু লাজুক প্রকৃতির। তবে আমার বউমা রান্না বান্না করে। আমার আসলে চুপচাপ জন্মদিন পার করে দিতে ইচ্ছা করে। কিন্তু তাও আর হয়ে ওঠে না। কিছু ভক্ত আছে তারা আমার অজান্তেই আমাকে সারপ্রাইজ দিতে ভীষণ ভালোবাসে। সবচেয়ে বড় সত্যি কথা হলো জন্মদিন শুধুই একটা সংখ্যা মাত্র। আমার জন্মদিনটা আমার কাছে সবসময়ই খুব স্পেশাল এবং ১১ সেপ্টেম্বর তারিখটাও আমি খুব ভালোবাসি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন আমিও সবার জন্য দোয়া করি।’
১৯৬৯ সালের এই দিনে ঢাকার শান্তিবাগে জন্মগ্রহণ করেন কনকঁঅপা। তবে তার পৈত্রিক নিবাস সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে। জন্মদিনের প্রথম প্রহরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেক কাটার একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মুখোমুখি হন কনকচাঁপা। সেখানে তিনি নিজের বয়স ও জন্মদিনের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘মানুষ আসলে লজ্জা পেয়ে বলে যে জন্মদিন আসলে শুধুই একটি সংখ্যা বা আমি জন্মদিন পছন্দ করি না। কিন্তু আমি খুব সরল-সোজাভাবে বলি যে, আমার এই ১১ই সেপ্টেম্বর—এই তারিখটি খুব পছন্দ, ১১ নম্বরটি আমার পছন্দ, সেপ্টেম্বর মাস পছন্দ, কারণ আমি এই সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখে জন্মেছিলাম আজ থেকে ৫৬ বছর আগে। এবার আমি ৫৭ বছরে পা দিলাম।’
আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন কনকচাঁপা
দেশ আমাকে সারাজীবনই অবহেলা করেছে: কনকচাঁপা