ত্বকের যত্নে কার্বন

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ এএম

লেজার চিকিৎসা

ত্বকের অতিরিক্ত তেল, বড় হয়ে যাওয়া লোমকূপ, ব্রণ, নিস্তেজভাব ও কালচে ভাব এসব সমস্যা নিয়ে অনেকেই ভোগেন। আজকাল ত্বকের সৌন্দর্য ও গঠন কিছুটা উন্নত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে কার্বন লেজার বা কার্বন লেজার পিল। যা কার্যকরী প্রসাধনী চিকিৎসা। যেখানে ত্বকে তরল কার্বনের একটি পাতলা স্তর লাগিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের লেজার ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এরপর ত্বকে দীর্ঘ সময় বিশ্রামে থাকার প্রয়োজন হয় না। তবে সবার ত্বকের জন্য এই পদ্ধতি সমানভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। 

কেন করবেন

কার্বন লেজার মূলত ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ, অতিরিক্ত তেল ও লোমকূপে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বক, বড় লোমকূপ, হালকা ব্রণ, অসম ত্বকের টেক্সচার ও নিস্তেজ ত্বকের ক্ষেত্রে এটি করা হয়। ত্বকের উপরিভাগ কিছুটা মসৃণ হওয়ায় মুখে উজ্জ্বল ও সতেজ ভাব দেখা দিতে পারে। সূক্ষ্ম রেখা ও হালকা দাগের দৃশ্যমানতাও কমে যায়।

কীভাবে করবেন

ত্বকে চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত তরল কার্বনের পাতলা স্তর লাগানো হয়। কিছু সময় পর কার্বন শুকিয়ে গেলে চোখ সুরক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে লেজার প্রয়োগ করা হয়। লেজারের শক্তি কার্বন কণাকে ভেঙে ও বাষ্পীভূত করে, একই সঙ্গে ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ ও জমে থাকা তেল-ময়লা অপসারণে সাহায্য করে। পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণত প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যে শেষ হতে পারে।

ত্বকের কতটা উপকার হয়

একবার করার পরই অনেকের ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল, পরিষ্কার ও মসৃণ দেখাতে পারে। বিশেষ করে ব্রণ, অতিরিক্ত তেল বা লোমকূপের সমস্যায় ধারাবাহিক চিকিৎসায় বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে। লেজারভিত্তিক চিকিৎসায় একাধিক সেশনে ফল সাধারণত একবারের তুলনায় ভালো হতে পারে। তবে ফলাফল ব্যক্তিভেদে আলাদা এবং স্থায়ী নয়।

কত দিন পর পর করবেন

অনেক ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন সপ্তাহ পরপর কার্বন লেজার করা হয় এবং কয়েকটি সেশনের পর ফলাফল মূল্যায়ন করা হয়। কারও ক্ষেত্রে চার থেকে ছয়টি সেশন প্রয়োজন হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময়সূচি নিজে থেকে ঠিক না করে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত