কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ান-এ প্রমোশনের লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বড় এক ধাক্কা খেয়েছে কেন্ট। দলের পেস আক্রমণের বড় অস্ত্র হাসান মাহমুদকে বিসিবির সিদ্ধান্তে দেশে ফিরে যেতে হয়েছে। তবে এক পেসারের বিদায়ের শূন্যতা পূরণ করতে খুব বেশি সময় নেননি আরেক বাংলাদেশি পেসার খালেদ আহমেদ। হাসান ফিরে গেলেও ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে আগুনে বোলিং করে কাউন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের স্বাদ পেয়েছেন তিনি।
ম্যাচের প্রথম দিনে আজ টসে হেরে ব্যাট করতে নামা ল্যাঙ্কাশায়ারকে মাত্র ১৬১ রানে গুটিয়ে দিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন খালেদ। ১৫ ওভার ৫ বলের দুর্দান্ত এক স্পেলে মাত্র ৪২ রান খরচ করে ৫টি উইকেট শিকার করেন এই পেসার।
কাউন্টি ক্রিকেটে এটি খালেদের দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৩ উইকেট পেলেও ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে এই ৫ উইকেটের সুবাদে নিজের জাত ভালোভাবেই চেনালেন খালেদ।
এদিকে অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড ও ব্যস্ত সূচির কারণে হাসান মাহমুদকে দেশে ডেকে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কেন্টের জার্সিতে চার ম্যাচে ২৬ উইকেটসহ সব মিলিয়ে সাত ম্যাচে ৩০ উইকেট শিকার করে মাঠ মাতানো হাসানকে হারানোর আক্ষেপ প্রকাশ করেছে কাউন্টি দলটির ক্রিকেট পরিচালক সাইমন কুক। অবশ্য সম্মান জানিয়েছেন বিসিবির সিদ্ধান্তকেও।
ক্লাবের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে সাইমন কুক বলেন, ‘কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ দিকের ম্যাচগুলোর জন্য হাসানকে হারানোয় আমরা হতাশ। কিন্তু গঠনমূলক আলোচনার পর বিসিবির সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান করি এবং তার জন্য শুভকামনা জানাই।’
ইয়ামালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দাবিতে ফ্লিকের সমর্থন