'এবার ব্যালন ডি'অর মেসির প্রাপ্য', মত সিমিওনের

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১২ পিএম

নতুন প্রজন্মের তারকারা যখন ব্যালন ডি’অরের মুকুট নিজেদের মাথায় পরার জোরালো দাবি তুলছেন, ঠিক তখন পুরনো এক জাদুকরের পক্ষেই নিজের রায় দিলেন ডিয়েগো সিমিওনে। বার্সেলোনার উদীয়মান লামিন ইয়ামাল কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকাদের যাবতীয় দাবিকে এক ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদের এই আর্জেন্টাইন কোচ ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের দাবিদার হিসেবে বেছে নিয়েছেন স্বদেশী মহাতারকা লিওনেল মেসিকে।

আসন্ন ওসাসুনা ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্যালন ডি’অরের দৌড় নিয়ে কথা বলেন সিমিওনে। সম্প্রতি বার্সেলোনা উইঙ্গার ইয়ামাল লা লিগা, স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং স্পেনের জার্সিতে বিশ্বকাপ জয়ের দাবি তুলে নিজেকে ও এমবাপ্পেকে বর্তমান বিশ্বের সেরা দুই ফুটবলার হিসেবে দাবি করেছিলেন।

তবে এই তত্ত্বে মোটেও সায় নেই সিমিওনের। ৩৯ বছর বয়সেও মেসির মহাকাব্যিক পারফরম্যান্স যে অন্য সবার চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে, সেটি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের স্পষ্ট পছন্দ ও সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সিমিওনে বলেন, ‘মেসি, কোনো সন্দেহ ছাড়াই। যে ধরনের বিশ্বকাপ সে খেলেছে এবং যে বয়সে সে এটি করেছে, তাতে কোনো সন্দেহের অবকাশই নেই। মেসি।’ 

মূলত ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে মেসির অতিমানবীয় পারফরম্যান্স এবং আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলার কীর্তিকেই সবকিছুর ওপরে স্থান দিচ্ছেন এই আতলেতিকো কোচ। তার মতে, ক্যারিয়ারের এই সায়াহ্নে এসেও বিশ্বমঞ্চে এমন নিখুঁত ও অবিচল পারফরম্যান্স প্রদর্শন করা ইয়ামাল, এমবাপ্পে, রদ্রি, হ্যারি কেইন কিংবা বর্তমান বিজয়ী উসমান দেম্বেলে কারও পক্ষেই আর সম্ভব নয়।

এদিকে, ফরাসি তারকা ও বর্তমান ব্যালন ডি’অর জয়ী দেম্বেলে পিএসজির অন্দরেই ট্রফিটি ধরে রাখার উচ্চাশা ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, ‘এটি কোনো পিএসজি খেলোয়াড়ের হাতেই থাকবে। আমি একজন প্রতিদ্বন্দ্বী, তাই এটি আবার জেতাই আমার লক্ষ্য।’ 

যুগে যুগে তারকারা বদলালেও ফুটবলের ব্যালন ডি’অর মঞ্চে লিওনেল মেসির প্রভাব যে ফুরিয়ে যায়নি, সিমিওনের এই সমর্থন সেটাই আরও একবার প্রমাণ করে দিল। রেকর্ড ১৭তম বারের মতো ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ১৮টি মনোনয়নের রেকর্ডের আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন সর্বকালের সেরা এই ফুটবলার।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত