বিশ্বের দূষণ শীর্ষে লাহোর, ঢাকা ১২তম

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ এএম

বর্ষা মৌসুমের প্রভাব শরতেও শহরের বায়ুদূষণ অনেকটাই কমে আছে। কারণ ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যা সাধারণ সুস্থ মানুষের জন্য বড় ক্ষতি না করলেও বিশেষ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ১৮ মিনিটে একিউআইর তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের দূষিত ১২৫ শহরের মধ্যে ঢাকা ১২তম স্থানে উঠে এসেছে। ১৩১ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্ক (একিউআই) স্কোর নিয়ে শহরের বায়ুমান সাধারণ সুস্থ মানুষের জন্য বড় ক্ষতি না করলেও বিশেষ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ঢাকার চেয়ে আজ দক্ষিণ এশিয়ার দুই শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি। এর মধ্যে পাকিস্তানের লাহরের বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’, শহরটির একিউআই স্কোর ১৭৬ নিয়ে বায়ুদূষণে শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে। এছাড়া ১৭২ একিউআই স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা শহরের বাতাসও একই পর্যায়ে থেকে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। এরপরের স্থানে একিউআই স্কোর ১৬৯ ও ১৬৪ নিয়ে তালিকার তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং ও কুয়ালালামপুর শহর।

যখন কণা দূষণের একিউআই মান ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে তখন বায়ুর গুণমানকে ‘মাঝারি’ বলে বিবেচনা করা হয়। সূচক ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’বলে মনে করা হয়। ৩০১ এর বেশি হলে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বায়ুদূষণে কারণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।

 

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত