ডাগআউটে মুখোমুখি মরিনহো-সিমিওনে
এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে এক দশকেরও বেশি সময় পর লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে যাচ্ছেন দুই হাই-প্রোফাইল কোচ—হোসে মরিনহো এবং ডিয়েগো সিমেওনে। ২০১৪ সালের পর এই দুই কোচ আর একে অপরের মুখোমুখি হননি। সেবার মরিনহো ছিলেন চেলসির দায়িত্বে এবং স্টামফোর্ড ব্রিজে সিমেওনের আতলেতিকো চেলসিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় করে দিয়েছিল।
তবে রিয়াল ও আতলেতিকোর ডাগআউটে তাদের এই দ্বৈরথ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২০১২ সালে ভিসেন্তে কালদেরন স্টেডিয়ামে রিয়ালের কোচ হিসেবে প্রথম মেয়াদে সিমেওনের আতলেতিকোর মুখোমুখি হয়েছিলেন মরিনহো; সেবার ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ।
ম্যাচটির আগে মরিনহো বলেন, "এটি একটি ডার্বি। ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সমর্থকদের আবেগের কারণে ডার্বি সবসময়ই অন্যরকম বিশেষ কিছু। তবে স্পষ্টতই, ৩ পয়েন্ট অর্জন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।"
আতলেতিকো মাদ্রিদ আতালেতিক ক্লাব ও লিভারপুলের কাছে টানা হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তারা রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৩-০ এবং ওসাসুনাকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদও এলচেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে এই ডার্বিতে নামছে।
ঘরের মাঠের সুবিধা ও ট্যাকটিক্যাল লড়াই
মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে রিয়ালের সাম্প্রতিক রেকর্ড খুব একটা সুখের নয়। গত ১১টি অ্যাওয়ে ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুটিতে জিতেছে তারা, যার মধ্যে লা লিগার শেষ জয়টি ছিল চার বছর আগে। গত মৌসুমে এই মাঠে রিয়াল ৫-২ গোলে হেরেছিল।
সিমেওনে রিয়ালের মূল অস্ত্র হিসেবে তাদের কাউন্টার-অ্যাটাক ও ট্রানজিশনকে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, "বল হারালেই তারা কিলিয়ান এমবাপে ও ভিনিসিউস জুনিয়রকে খুঁজে নেয়। আমাদের খেলায় পূর্ণ মনোযোগ রাখতে হবে এবং কোনো ভুল করা যাবে না।"
ম্যাচ নিয়ে সতর্ক অবস্থানে থেকেও সিমেওনে নিজের খেলোয়াড়দের শান্ত থাকার এবং স্নায়ুচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার তাগিদ দিয়েছেন। অন্যদিকে, রিয়ালের আক্রমণভাগে ফরাসি ফরোয়ার্ড এমবাপের পাশাপাশি ভিনিসিউস ও বদলি হিসেবে নামা তরুণ খেলোয়াড়রা ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন।
দলের ইনজুরি সমস্যা থাকলেও জুলিয়ান আলভারেজকে এই ম্যাচে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিমেওনে। আর রিয়ালের দায়িত্বে ১০০ দিন পূর্ণ করা মরিনহো জানিয়েছেন, তিনি এই ডার্বির জন্য শতভাগ উজাড় করে দিতে প্রস্তুত।
জ্যোতি খোলামেলা, 'খুব বাজে ক্রিকেট খেলেছি'