জোয়াও ফেলিক্সের একমাত্র গোলে ওয়েলসকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে উয়েফা নেশনস লিগে শুভসূচনা করেছে পর্তুগাল। তবে লিসবনের হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে জয়ের রাতেও গোল না পাওয়ার হতাশায় মাঠ ছাড়তে হয়েছে অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে।
নিজের পুরনো ঘরের মাঠ লিসবনে দীর্ঘ এক বছর পর খেলতে নেমেছিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। ম্যাচের ২২ মিনিটে আল-নাসরে রোনালদোর সতীর্থ জোয়াও ফেলিক্সের বক্সের বাইর থেকে নেওয়া শটে বল ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ওয়েলসের জালে জড়িয়ে যায়, যা পর্তুগালকে ম্যাচের একমাত্র জয়সূচক গোলটি এনে দেয়।
তবে পুরো ম্যাচজুড়েই রোনালদোর জন্য সুযোগ নষ্টের মহড়া দেখা যায়। প্রথমার্ধে চারটি ভালো সুযোগ হাতছাড়া করার পর, দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে গোলপোস্টের মাত্র কয়েক গজ দূর থেকেও বল আকাশে উড়িয়ে দেন এই আল-নাসর তারকা। এরপর ব্রুনো ফার্নান্দেসের পাস থেকে গোল করে নিজের ট্রেডমার্ক "সিউ" উদযাপন করলেও অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়।
ম্যাচের ৬৭ মিনিটে কোচ জর্জ জেসুস রোনালদোকে তুলে নিলে কিছুটা অসন্তুষ্ট হয়েই মাঠ ছাড়েন পর্তুগাল অধিনায়ক। রোনালদোকে তুলে নেওয়া প্রসঙ্গে কোচ জেসুস বলেন, "খেলার গতি বজায় রাখতে তাজা খেলোয়াড় মাঠে নামানো জরুরি ছিল। আমি জানতাম সে আরও ৫-১০ মিনিট খেলতে পারত, তবে তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা আগে থেকেই করা ছিল।"
অন্যদিকে, শক্তিশালী পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ দিকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল ওয়েলস। ব্রেনান জনসনের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং লুইস কুমাসের একটি প্রচেষ্টা রুবেন দিয়াস দুর্দান্তভাবে ব্যর্থ করে দেন। পর্তুগালের ২৩টি শটের বিপরীতে ওয়েলস বেশ প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ম্যাচ শেষে ওয়েলস কোচ ক্রেগ বেলামি বলেন, "পর্তুগালের খেলোয়াড়দের মান ও স্কোয়াডের মূল্য (প্রায় ১.৪ বিলিয়ন পাউন্ড) সম্পর্কে আমি সচেতন। তবে আমার ছেলেরা যে সাহসিকতা দেখিয়েছে, তাতে আমি অত্যন্ত গর্বিত।"
আগামী রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে নরওয়ের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল, যেখানে রোনালদো আবার তাঁর ১,০০০ গোলের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মেসিকে বিদায়ী ম্যাচ খেলতে যেভাবে রাজি করিয়েছেন স্কালোনি