মিসরের বৈচিত্র্যময় মরুভূমি ‘ফারাফ্রা’। এর কোথাও খেজুর গাছের ছায়ায় রয়েছে ছোট জলাশয়। তাতে পানি টলটল করছে। বেশ বড় এবং বিস্তৃত এই মরুভূমির ছোট গ্রামে প্রায় ৫,৫০০ মানুষ বাস করে। তারা মূলত বেদুইন। গ্রামের চারদিকে প্রায় একশর ওপর কুয়ো। সেই পানিতে চলে কৃষিকাজ। গ্রামের কাছে উষ্ণ প্রস্রবণ, যার নাম বির সেট্টা। সালফার মেশানো সেই গরম পানিতে সাঁতার কাটার মজা নিতে দলে দলে আসেন পর্যটকরা। তবে ফারাফ্রার আসল খ্যাতি অদ্ভূত দর্শন এক সাদা মরুভূমি। কোটি বছর আগে এখানে সমুদ্র ছিল। পরবর্তীকালে পানি শুকিয়ে চুনাপাথর ও খড়িমাটির অবশিষ্টাংশ থেকে অদ্ভুত সাদা রূপ তৈরি হয়েছে। মরুভূমিতে মাঝেমধ্যে মরুঝড় হয়। সেই ঝড়ের কারণে এখানে কোথাও প্রকৃতির খেয়ালে ধবধবে সাদা আর ক্রিম রঙের ঢিবি তৈরি করেছে চত্বর জুড়ে, যা দেখলে স্তম্ভিত হতে হয়। এগুলোকে বলে ‘ভেন্টিফ্যাক্ট’। এ ছাড়া সেখানে রয়েছে, অদ্ভুত সব চুনাপাথরের আকর। খোলা প্রান্তরে প্রকৃতির হাতে তৈরি এ রকম দানবীয় কাঠামোগুলো আশ্চর্য এক ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বহু বছর। এর আবার চমৎকার নাম দেওয়া হয়েছে। যেমন মাশরুম, আইসক্রিম, কোন, টেন্ট, মনোলিথ ইত্যাদি। ‘হোয়াইট ডেজার্ট ’ পার্কের বাইরের দিকটি অপেক্ষাকৃত পুরনো। কিন্তু ভেতরের দিকের নতুন মরুভূমিতে শুধু উট বা গাড়িতে যেতে হয়। এদিকে আরও সাদা। কখনো মনে হতে পারে- বাজ, মুরগি, আবার কখনো বুড়া মানুষ টুপি পরে আছে বা মেয়েরা নাচছে। দিনের আলোর সঙ্গে এগুলো রঙ বদলায়।
সাদা মরুভূমি
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ এএম
আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ এএম
সাদা মরুভূমি
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০