এফবিসিসিআই প্রশাসক

ভালো কৌশলের সঙ্গে বাজেটও জরুরি

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৬ এএম

রপ্তানিতে তৈরি পোশাকনির্ভরতা কমাতে পণ্য ও বাজার উভয় ক্ষেত্রেই বৈচিত্র্য আনতে নতুন কৌশল তৈরি করছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিশ্বের ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক গন্তব্যের বাজার সম্ভাবনা, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, প্রতিযোগী দেশগুলোর অবস্থান এবং বাংলাদেশের করণীয় বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। তার মতে, সরকার এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়ের দাবি। তবে কূটনৈতিক মিশনে লোকবলের অভাব ও অপর্যাপ্ত বাজেটের কারণে উদ্যোগগুলো স্থবির হয়ে থাকে। ফলে নতুন বাজার ও পণ্যের গন্তব্য ঠিক করতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বাণিজ্য কূটনীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

এ প্রসঙ্গে ফজলুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, সরকারের এ উদ্যোগকে অবশ্যই (আমরা বেসরকারি খাত) স্বাগত জানাই। কারণ স্বল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের এলডিসি অতিক্রম করতে হবে। ফলে রপ্তানি বাজারে নতুন চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। বর্তমানে দেশের বৈদেশিক আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্প। এর সঙ্গে ওষুধশিল্প রয়েছে। বাকি অন্যান্য খাতের যে অবদান তা উল্লেখ করার মতো নয়। সেজন্য নিজেদের জন্য এবং দেশের রপ্তানি বাজার সুরক্ষায় নতুন গন্তব্য, বাজার ও রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ জরুরি।

তিনি বলেন, নতুন বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা বাণিজ্য মিশন। এক্ষেত্রে আমাদের মিশনগুলো অত্যন্ত পিছিয়ে রয়েছে। প্রয়োজনীয় লোকবল ও খাতসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অভাব রয়েছে।  অন্তত দূতাবাসে সভা-সেমিনার করার মতো বাজেট থাকে না। অতীতে এমন অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার খাত ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞদের মতামত নিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে। আশা করছি সরকারের উদ্যোগ সফল হবে। এ জন্য বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত