কাজ ফেলে রাখা ঠিকাদারদের ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে: এমপি জিন্নাহ

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৯ এএম

উন্নয়নের নামে রাস্তা, সেতু ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাজ শুরু করে তা ফেলে রেখে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করা ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে আগামী সাত দিনের মধ্যে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিবালয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, উন্নয়নের নামে যে সব ঠিকাদার চলাচলের উপযোগী রাস্তা ভেঙে অপরিকল্পিতভাবে কাজ ফেলে রেখে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, রাস্তা, ব্রিজ কিংবা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজ নিয়ে যারা কাজ ফেলে রেখে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাদের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। উন্নয়নকাজ যাতে পড়ে না থাকে এবং মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সে জন্য যার যার জায়গা থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার।

সভায় শিবালয় থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম, হাইওয়ে থানার ওসি হারুন অর রশীদ, নৌ-থানার ওসি মো. শাহদাত, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মিজানুর রহমান লিটন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন, বিএনপি নেতা সুজাউদ্দিন বুলবুল, উলাইল ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান, মহাদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাজাহান মিয়া, শিবালয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মো. আলাল উদ্দিন আলাল, শিমুলিয়া ইউপির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক দবিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি নিখিল চন্দ্র মালো, সাধারণ সম্পাদক বিকাশ কুমার দাস, শিবালয় সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির কমিটির সভাপতি সুনিল চন্দ্র নাথ, নয়াবাড়ী বড়বাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর উজ্জ্বল কুমার চৌধুরী, উথুলী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি দীপেন্দ বাবু, মহাদেবপুর ইউনিয়ন পূজা কমিটির চঞ্চল মুখার্জিসহ বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বছর শিবালয় উপজেলায় মোট ৯৪টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত